যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং ব্রিস্টল-মায়ার্সের মতো বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলোর বিশাল ব্যবসায়িক পরিধি ও আর্থিক সক্ষমতা তাদের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। বড় আকারের ব্যালেন্স শিট বা মূলধনের প্রাচুর্য কোম্পানিগুলোকে ব্লকবাস্টার ওষুধ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকি নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়।
বর্তমানে ওষুধ শিল্পে গবেষণার ব্যয় ও ঝুঁকি যেভাবে বাড়ছে, তাতে ছোট কোম্পানিগুলোর পক্ষে এককভাবে বড় বিনিয়োগ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে বৃহৎ কোম্পানিগুলোর বিশাল সম্পদের ভাণ্ডার তাদের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে সহায়তা করছে।
বড় কোম্পানিগুলোর এই আধিপত্য তাদের নতুন ও সম্ভাবনাময় ওষুধ নিয়ে কাজ করার সাহস যোগায়। যখন কোনো কোম্পানির হাতে পর্যাপ্ত আর্থিক ভিত্তি থাকে, তখন তারা দীর্ঘমেয়াদী গবেষণায় বড় বিনিয়োগ করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ওষুধের বাজারে তাদের অবস্থান সুসংহত করে।