যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বাড়ি ও অফিসে ব্যবহৃত ব্যাটারি সিস্টেম নিয়ে করা এক জরিপে দেখা গেছে, উচ্চমূল্যের চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও ৯১ শতাংশ ব্যবহারকারী পুনরায় এই প্রযুক্তি কিনতে ইচ্ছুক। লুনার এনার্জির বিপণন বিভাগের প্রধান ববি পিয়ার্স জানান, অনেক গ্রাহকের কাছে এটি কেবল বিদ্যুৎ বিল কমানোর মাধ্যম নয়, বরং সৌরশক্তির মাধ্যমে স্বনির্ভর হওয়ার একটি মাধ্যম হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে।
হ্যাবিটিলেজেন্স নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, জরিপে অংশ নেওয়া ৭১ শতাংশ ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, তাদের ব্যাটারি সিস্টেম প্রত্যাশার চেয়েও ভালো ফলাফল দিয়েছে। তবে এই অভিজ্ঞতার ভিন্নতা নির্ভর করে ব্যবহারকারীর ভৌগোলিক অবস্থান, বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরন এবং স্থানীয় ইউটিলিটি প্ল্যানের ওপর।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, টেক্সাসের মতো এলাকায় যেখানে বিদ্যুতের দামের ওঠানামা বেশি, সেখানে ব্যাটারি সিস্টেম থেকে সাশ্রয় পাওয়া সহজ। অন্যদিকে ম্যাসাচুসেটসের মতো এলাকায় যেখানে বিদ্যুতের দাম স্থির, সেখানে এর অর্থনৈতিক সুফল পেতে সময় লাগতে পারে। আবার ক্যালিফোর্নিয়ার মতো এলাকায় যারা ঘর থেকে কাজ করেন, তাদের জন্য ব্যাটারি সিস্টেমটি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখছে।
ব্যাটারি স্থাপনের পর ব্যবহারকারীদের অগ্রাধিকারগুলোতেও পরিবর্তন আসে। অনেক মালিক কেবল বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় নয়, বরং ভার্চুয়াল পাওয়ার প্ল্যান্ট (ভিপিপি) প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে আয়ও করছেন। ম্যাসাচুসেটসের কানেক্টেড সলিউশন প্রোগ্রামের মতো উদ্যোগে যুক্ত হয়ে অনেক ব্যবহারকারী বছরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয়তা এবং লক্ষ্য অনুযায়ী ব্যাটারি সিস্টেম নির্বাচন করলে এটি একটি সফল বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য হয়।