ঢাকাFriday , 7 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

শিশুর চিকিৎসায় প্যারাসিটামল ও আইবুপ্রোফেন নিয়ে দুশ্চিন্তা দূর করল নতুন গবেষণা


August 7, 2026 7:00 am
Link Copied!

নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৪ হাজার শিশুর ওপর চালানো এক বড় গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুর প্রথম বছরে জ্বর বা ব্যথানাশক হিসেবে প্যারাসিটামল ও আইবুপ্রোফেনের ব্যবহার নিরাপদ। এই গবেষণায় শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রচলিত দীর্ঘদিনের ভীতি বা দুশ্চিন্তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি। মূল গবেষক অধ্যাপক স্টুয়ার্ট ডালজিয়েল জানান, প্যারাসিটামল ও আইবুপ্রোফেন শিশুদের ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ।

গবেষণার পটভূমি

এর আগের বিভিন্ন গবেষণায় শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল যে, শৈশবে প্যারাসিটামল ব্যবহারের সঙ্গে পরবর্তী জীবনে একজিমা, হাঁপানি বা অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যার সংযোগ থাকতে পারে। বিশ্বজুড়ে শিশুদের জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শে বা সাধারণ দোকান থেকে সবচেয়ে বেশি কেনা ওষুধের তালিকায় এগুলো অন্যতম। এই অনিশ্চয়তা দূর করতেই নিউজিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব অকল্যান্ড ও মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব নিউজিল্যান্ড যৌথভাবে এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালটি পরিচালনা করে।

গবেষণার ফলাফল

গবেষণায় শিশুদের দুটি দলে ভাগ করে প্রথম বছরে প্রয়োজন অনুযায়ী প্যারাসিটামল ও আইবুপ্রোফেন দেওয়া হয়। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্যারাসিটামল গ্রহণকারী শিশুদের ১৬ শতাংশ এবং আইবুপ্রোফেন গ্রহণকারী শিশুদের ১৫ শতাংশের ক্ষেত্রে একজিমার লক্ষণ দেখা দিয়েছে, যা পরিসংখ্যানগতভাবে তেমন কোনো পার্থক্য তৈরি করে না। একইভাবে ব্রঙ্কিওলাইটিসের ক্ষেত্রেও দুই দলের হার ছিল প্রায় সমান, অর্থাৎ পাঁচ শতাংশ। গবেষণায় কোনো শিশুর ক্ষেত্রেই ওষুধের কারণে গুরুতর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

পরবর্তী পদক্ষেপ

এই গবেষণার অংশ হিসেবে শিশুরা ছয় বছর বয়স পর্যন্ত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকবে। গবেষক দলের লক্ষ্য হলো, শৈশবে এই ওষুধগুলো ব্যবহারের ফলে দীর্ঘমেয়াদে হাঁপানি বা স্নায়বিক কোনো সমস্যার ঝুঁকি আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া। ল্যানসেট চাইল্ড অ্যান্ড অ্যাডোলসেন্ট হেলথ জার্নালে প্রকাশিত এই ফলাফল বাবা-মা ও চিকিৎসকদের জন্য বড় ধরনের নিশ্চয়তা হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করছেন গবেষকরা।