ঢাকাWednesday , 4 November 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চাভিলাষী মহাকাশ কর্মসূচির ব্যয় নিয়ে সংশয়

International Desk
September 9, 2026 6:15 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন মহাকাশ পরিবহণ সক্ষমতা বৃদ্ধির যে উচ্চাভিলাষী নীতি ঘোষণা করেছে, তা নিয়ে সরকারি ও শিল্প মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ১০০০টিরও বেশি মহাকাশ উৎক্ষেপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, কিন্তু এই ব্যয়বহুল প্রকল্প কীভাবে অর্থায়ন করা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS)-এর অ্যারোস্পেস সিকিউরিটি প্রজেক্টের উপ-পরিচালক ক্লেটন সোওপ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে অর্থায়নের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। হোয়াইট হাউস এবং প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো এই প্রকল্পের সম্ভাব্য খরচ বা বাজেট বরাদ্দ নিয়ে স্পষ্ট কোনো বার্তা দেওয়া হয়নি।

নতুন এই নীতি অনুযায়ী, পেন্টাগনকে মহাকাশ উৎক্ষেপণের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বাণিজ্যিক মহাকাশ পরিবহণ ও লজিস্টিকস সেবার প্রসারে ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে। এটি মহাকাশ বাহিনী এবং ইউএস স্পেস কমান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের তহবিল সংক্রান্ত বিতর্কে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।

প্রশাসন এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান অবকাঠামো দিয়ে বছরে ১০০০টি উৎক্ষেপণ পরিচালনা করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এজন্য নতুন লঞ্চপ্যাড ও আধুনিক পরিকাঠামো প্রয়োজন, যা বাস্তবায়নে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে।

আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ টড হ্যারিসন জানান, বর্তমান নীতিটি কেবল একটি দিকনির্দেশনা মাত্র, এটি কার্যকর করতে হলে প্রতিরক্ষা দপ্তরের বাজেট প্রস্তাবের অপেক্ষায় থাকতে হবে। যার ফলে ২০২৮ অর্থবছর বা তার আগে দৃশ্যমান কোনো কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

স্পেস ফোর্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মহাকাশ গবেষণায় নতুন প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোর সমন্বয় করা একটি ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। তবে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে এই আর্থিক সংকট সমাধানের একটি পথ খোলা থাকতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।