বাংলাদেশের চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে আয়োজিত জনসভা ও বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল এবং গুপ্ত বাহিনী স্বৈরাচারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। রবিবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন, যা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী এবং ১৯৮৬ সালে স্বৈরাচারের সঙ্গে মিলে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ‘জাতীয় বেইমান’ আখ্যা পাওয়া গোষ্ঠীগুলো বর্তমানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পায়তারা করছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, এই গুপ্ত বাহিনী ও স্বৈরাচারের দোসররা দেশের সমৃদ্ধি চায় না।
তারেক রহমান দাবি করেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল এবং তারা জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, জ্বালানি খাত নিয়ে বিএনপির সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার শাসনামলে শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছিল, তা তিনি বক্তব্যে স্মরণ করিয়ে দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপিকে সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে দেশ উন্নয়নের পথে থাকলেও প্রতিপক্ষরা সেখানে বাধা দিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি দেশবাসীকে উন্নয়নের পথে অটল থাকার আহ্বান জানান।
সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী বিকালে হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল মাদ্রাসায় যান। সেখানে তিনি হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আহমেদ শফির কবরে জিয়ারত করেন।