যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বাজারে গুগল পিক্সেল ওয়াচ ৫ এবং অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১১ একই সময়ে বাজারে আসায় প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে বড় ধরনের তুলনামূলক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। জেডডিএনইটি-র সাংবাদিক প্রখর খান্না জানিয়েছেন, নতুন পিক্সেল ওয়াচ ৫ আগের সংস্করণের তুলনায় বড় ধরনের আপগ্রেড নিয়ে এসেছে, যার দাম শুরু হয়েছে ৩৯৯ ডলার থেকে, যা অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১১-এর সমান। ব্যবহারকারীর পছন্দ এবং ডিভাইসের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই মূলত এই দুই স্মার্টওয়াচের জনপ্রিয়তা নির্ধারিত হচ্ছে।
পিক্সেল ওয়াচ ৫ কেন আলাদা
গুগল তাদের নতুন স্মার্টওয়াচে রক্তচাপ এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ট্র্যাকিংয়ের মতো উন্নত স্বাস্থ্য ফিচার যুক্ত করেছে। এর স্ক্রিন ৩০০০ নিটস উজ্জ্বলতা প্রদান করে, যা কড়া রোদেও স্বচ্ছভাবে কাজ করে। জেমিনাই ইন্টেলিজেন্স এবং গুগল হেলথ কোচের সমন্বয়ে এটি ব্যবহারকারীকে আরও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা দেয়। যারা পিক্সেল ফোন ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এটি রিমোট ক্যামেরা কন্ট্রোল এবং গুগল ওয়ালেটের মতো সুবিধার কারণে প্রথম পছন্দ হতে পারে।
অ্যাপল ওয়াচ ১১-এর শক্তিমত্তা
অ্যাপলের নতুন ঘড়িটি পিক্সেল ওয়াচ ৫-এর চেয়ে ওজনে হালকা এবং আকারে কিছুটা পাতলা, যা দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য বেশি আরামদায়ক। এছাড়া অ্যাপল ওয়াচ ১১-এ রয়েছে স্লিপ অ্যাপনিয়া শনাক্ত করার বিশেষ সুবিধা, যা গুগল ডিভাইসে অনুপস্থিত। যারা আইফোন ব্যবহার করেন, তাদের জন্য অ্যাপল ওয়াচই সেরা সমাধান, কারণ এটি অ্যাপল ইকোসিস্টেমের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে।
তুলনামূলক চিত্র
প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে দেখা যায়, পিক্সেল ওয়াচ ৫-এর স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা এবং ইনসুলিন ট্র্যাকিং সুবিধা এটিকে একটি এআই-চালিত স্মার্টওয়াচ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। অন্যদিকে, অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১১ স্বাস্থ্য ট্র্যাকিংয়ের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশি আরাম নিশ্চিত করে। উভয় ঘড়ির দাম ৩৯৯ ডলার নির্ধারণ করা হলেও, ব্যবহারকারীর বর্তমান স্মার্টফোন এবং ব্যক্তিগত চাহিদার ভিত্তিতেই ক্রেতাদের পছন্দ চূড়ান্ত হবে।