যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোতে অ্যাপল তাদের প্রথম ফোল্ডিং স্মার্টফোন ‘আইফোন ডুও’ উন্মোচন করেছে। নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে জন টার্নাস প্রথমবারের মতো এই ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন। অ্যাপলের এই নতুন ডিভাইস বাজারে আসার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ফোল্ডিং ফোনের দুনিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপল অ্যান্ড্রয়েড ফোল্ডিং ফোনের সেরা ফিচারগুলোকে নতুন এই ডিভাইসে সমন্বয় করার চেষ্টা করেছে।
আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্স নিয়ে বিশ্লেষণ
নতুন আইফোন ১৮ প্রো এবং প্রো ম্যাক্সের ক্যামেরা প্রযুক্তি নিয়ে প্রযুক্তিবিদরা নানা প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে এর ভেরিয়েবল অ্যাপারচার ক্যামেরা কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। অ্যালিসন জনসন কুপারটিনোতে সরাসরি এই ফোনগুলো পরীক্ষা করে জানিয়েছেন যে, ক্যামেরার সক্ষমতা এবং এর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন গ্রাহকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসতে পারে।
অ্যাপল ওয়াচ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ইভেন্টে নতুন অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১২ এবং অ্যাপল ওয়াচ আল্ট্রা ৪ নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। নতুন এই ঘড়িগুলোতে এমন সেন্সর অ্যারে যুক্ত করা হয়েছে যা স্বাস্থ্যের বিভিন্ন তথ্য ট্র্যাক করতে সক্ষম। এছাড়াও, নতুন ঘড়িগুলোতে সর্বদা চালু থাকা মাইক্রোফোনের মাধ্যমে কথোপকথন সামারি করার সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের একটি বড় ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্থানীয় এআই ও অন্যান্য প্রযুক্তি
ম্যাক ডিভাইসে স্থানীয়ভাবে এলএলএম (LLM) পরিচালনার বিষয়টি নিয়েও ইভেন্টে আলোচনা হয়েছে। এআই গবেষক সিজে ট্রোব্রিজের মতে, অ্যাপলের এই পদক্ষেপ প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে। এছাড়া, ওপেনএআই সংক্রান্ত গাণিতিক বিতর্ক এবং অন্যান্য নতুন গ্যাজেট নিয়েও প্রযুক্তি মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।