যুক্তরাজ্যের লন্ডনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে চলচ্চিত্র নির্মাতা ন্যান্সি মেয়ার্সের সিনেমার প্রধান চরিত্রগুলোর পোশাকশৈলীকে এক অনন্য ফ্যাশন স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। লরেন কানিংহাম তার নিবন্ধে দেখিয়েছেন, কীভাবে নব্বই ও শূন্য দশকের ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্রগুলো আজও আধুনিক ফ্যাশন ট্রেন্ডকে প্রভাবিত করে যাচ্ছে। এই পোশাকগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ, তার কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে চরিত্রগুলোর মিনিমালিস্ট বা সাদামাটা অথচ মার্জিত রুচিকে।
দ্য হলিডে, দ্য প্যারেন্ট ট্র্যাপ বা সামথিং’স গটা গিভ—এর মতো বিখ্যাত সব সিনেমার চরিত্রগুলোর সাজপোশাক পর্যালোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। ন্যান্সি মেয়ার্সের সিনেমার চরিত্রগুলোর পোশাকশৈলী মূলত আধুনিক ফ্যাশন জগতের ‘কোস্টাল গ্র্যান্ডমা’ ট্রেন্ডের সূত্রপাত ঘটিয়েছে। সাদা স্যুট, ক্রিম রঙের রোল-নেক সোয়েটার এবং মানানসই অ্যাক্সেসরিজের সমন্বয়ে তাদের এই সাজ আজকের দিনেও প্রাসঙ্গিক।
প্রতিবেদনটিতে ছয়টি প্রধান চরিত্রের ফ্যাশন বিশ্লেষণ করা হয়েছে:
১. এলিজাবেথ জেমস (দ্য প্যারেন্ট ট্র্যাপ): ক্ল্যাসিক সাদা স্যুট ও ক্রিস্প ড্রেস যা পেশাদারিত্বের প্রতীক।
২. এরিকা ব্যারি (সামথিং’স গটা গিভ): আরামদায়ক অথচ অভিজাত ক্যাজুয়াল লুক, যা কোস্টাল গ্র্যান্ডমা ফ্যাশনের ভিত্তি।
৩. মেরেডিথ ব্লেক (দ্য প্যারেন্ট ট্র্যাপ): ভিলেন চরিত্রের হলেও তার সাজ ছিল অত্যন্ত পরিশীলিত ও গ্ল্যামারাস।
৪. আমান্ডা উডস (দ্য হলিডে): শীতকালীন ফ্যাশনে নিউট্রাল রঙের কাপড় ও কোটের ব্যবহার তাকে স্টাইল আইকনে পরিণত করেছে।
৫. ডার্সি ম্যাগুইয়ার (হোয়াট উইমেন ওয়ান্ট): সাদা শার্ট ও স্কার্টের মিনিমালিস্টিক সংমিশ্রণ।
৬. জর্জ ব্যাংকস (ফাদার অফ দ্য ব্রাইড): ফরমাল স্যুটের সাথে স্পোর্টস শু বা ট্রেনারের ব্যবহার, যা আশির দশকের স্টাইলকে নতুন মাত্রা দিয়েছিল।
এই চরিত্রগুলোর পোশাকশৈলী আজও ফ্যাশন সচেতনদের কাছে এক বিশেষ আভিজাত্যের পরিচয় বহন করে, যা বর্তমান যুগের ট্রেন্ডের সাথেও অনায়াসেই মিশে যায়।