ঢাকাFriday , 14 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

শত্রুর স্যাটেলাইট মোকাবিলায় নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াচ্ছে মার্কিন সেনাবাহিনী


August 14, 2026 5:45 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের হান্টসভিলে অনুষ্ঠিত এক সিম্পোজিয়ামে মার্কিন সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষের নজরদারি স্যাটেলাইট মোকাবিলায় স্থলভিত্তিক নতুন প্রযুক্তি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূলত মার্কিন বাহিনীর ওপর নজরদারি বা লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ব্যবহৃত স্যাটেলাইটগুলো অকার্যকর করতেই এই কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

আর্মি স্পেস অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স কমান্ডের ট্রান্সফরমেশন ইন্টিগ্রেশন ডিরেক্টরেটের পরিচালক কর্নেল জো ম্রোসজিক জানান, মহাকাশে আধিপত্য নিশ্চিত করতে ইউএস স্পেস কমান্ডকে সহায়তা দেওয়া সেনাবাহিনীর নতুন ভূমিকার অংশ। সমুদ্রের কোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা যদি সেনাবাহিনীর কাজের মধ্যে পড়ে, তবে মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটের ক্ষেত্রেও একই যুক্তি প্রযোজ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তবে এই কাজে ঠিক কী ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে তা স্পষ্ট করেননি তিনি। কর্নেল ম্রোসজিক নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশে ধ্বংসাত্মক কোনো অস্ত্র বা পদ্ধতি ব্যবহার করবে না, যা দীর্ঘস্থায়ী মহাকাশ বর্জ্য তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে মহাকাশ নীতিমালার কঠোর অনুসরণ করা হবে।

এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো শত্রুপক্ষের গোয়েন্দা ও নজরদারি স্যাটেলাইটের তথ্য সংগ্রহ করার সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া। সেনাবাহিনীর নতুন এই পরিকল্পনায় ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ও ডাইরেক্টেড-এনার্জি অস্ত্রের মতো নন-কাইনেটিক বা অ-ধ্বংসাত্মক পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এগুলো লেজার বা মাইক্রোওয়েভ রশ্মি ব্যবহারের মাধ্যমে স্যাটেলাইটকে সাময়িকভাবে অন্ধ বা অকার্যকর করতে সক্ষম।

পাশাপাশি সেনাবাহিনী ‘স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারিক ওয়ারফেয়ার’ বা বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে যুদ্ধকৌশল নিয়ে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বেলুন ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এই বেলুনগুলো স্যাটেলাইটের বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনায় ভূমিকা রাখবে। ২০২৭ সালের বাজেটে এই সক্ষমতা অর্জনের জন্য ইতিমধ্যে অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।