ঢাকাThursday , 5 November 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ডিজিটাল ড্রাইভিং লাইসেন্স: ব্যবহারের সুবিধা এবং গোপনীয়তার ঝুঁকি


September 16, 2026 10:45 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম এনগ্যাজেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মার্টফোনের ডিজিটাল ওয়ালেটে ড্রাইভিং লাইসেন্স বা মোবাইল ড্রাইভিং লাইসেন্স (mDL) ব্যবহারের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল লাইসেন্স কেবল একটি কাগজের কার্ডের ছবি নয়, বরং এটি ডিজিটালভাবে স্বাক্ষরিত একটি তথ্য যা পরিচয় যাচাইয়ের সময় বাড়তি সুরক্ষা দেয়।

প্রথাগত কার্ডের তুলনায় ডিজিটাল লাইসেন্সের একটি বড় সুবিধা হলো তথ্যের সীমিত প্রকাশ। শারীরিক কার্ড দেখালে আপনার ঠিকানা, জন্ম তারিখসহ সব তথ্যই যাচাইকারীর সামনে চলে আসে। কিন্তু ডিজিটাল লাইসেন্সের মাধ্যমে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তথ্য, যেমন—কেউ ২১ বছরের বেশি কি না, তা যাচাই করা সম্ভব। অ্যাপল এবং গুগল তাদের ওয়ালেট প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীদের তথ্য শেয়ার করার আগে তা পর্যালোচনা করার সুযোগ দেয় এবং বায়োমেট্রিক অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা রেখেছে।

তবে ডিজিটাল লাইসেন্স ব্যবহারের ক্ষেত্রে ট্র্যাকিং বা তথ্য আদান-প্রদান নিয়ে উদ্বেগের জায়গা রয়ে গেছে। সার্ভার রিট্রিভাল পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচয় প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ব্যবহারকারীর অবস্থান বা তথ্য ব্যবহারের সময় জানতে পারে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। যদিও উত্তর আমেরিকার মোটর ভেহিকেল অ্যাডমিনিস্ট্রেটরস অ্যাসোসিয়েশন (AAMVA) ২০২৫ সাল থেকে এই পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছে, তবুও গোপনীয়তা নির্ভর করছে অঞ্চলভিত্তিক নিয়ম ও প্রযুক্তির মানদণ্ডের ওপর।

তথ্য শেয়ার করার পরবর্তী ধাপটিও বেশ স্পর্শকাতর। কোনো প্রতিষ্ঠানকে তথ্য দেওয়ার পর তারা সেই তথ্য কীভাবে সংরক্ষণ করবে, তার ওপর ডিজিটাল ওয়ালেটের নিয়ন্ত্রণ সীমিত। নিউ জার্সিসহ কয়েকটি স্থানে এ নিয়ে আইনি সুরক্ষা থাকলেও, ডিজিটাল পরিচয়পত্র সরকারি নজরদারি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে উদ্বেগ জানিয়েছে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (ACLU)।

ফোন হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে ডিজিটাল আইডি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি থাকে। যদিও ফোনের বায়োমেট্রিক লক বা পিন কোড থাকলেই কেবল এটি ব্যবহার করা যায় এবং ফোন হারিয়ে গেলে দূর থেকেই তা মুছে ফেলার ব্যবস্থা রয়েছে, তবুও ফোন পুরোপুরি অকেজো হয়ে গেলে বিপাকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিশেষজ্ঞরা এখনই ডিজিটাল লাইসেন্সকে শারীরিক কার্ডের সম্পূর্ণ বিকল্প হিসেবে না দেখে একটি সহযোগী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন।