মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এই হামলায় ভবন, সাঁজোয়া যান ও ৬০টি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শক। বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটির ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থার ছবি প্রকাশ্যে আসার পর এই ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি সামনে এলো।
প্রকাশিত ছবিগুলোতে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটির বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমানের পেছনের অংশসহ মূল কাঠামো বিচ্ছিন্ন ও পোড়া অবস্থায় দেখা গেছে। এছাড়া কুয়েতের ক্যাম্প বিউরিংয়েও ভবন, ব্যারাক ও নিরাপত্তা দেয়াল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সিবিএস নিউজকে নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক মার্কিন সেনাসদস্য জানিয়েছেন, এসব হামলার ক্ষয়ক্ষতি জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। একজন সেনাসদস্যের ভাষ্যমতে, ঘাঁটিগুলো রক্ষার পরিবর্তে তারা ধ্বংস হয়ে যেতে দেখছেন।
কংগ্রেসে জমা দেওয়া মহাপরিদর্শকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরানের এই হামলাগুলো পরিচালিত হয়েছে। এর আগে ১ মার্চ ইরাকের শুয়াইবা বন্দরে হামলায় ছয় মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বিষয়টিকে ছোটখাটো অনুপ্রবেশ হিসেবে আখ্যায়িত করলেও, বর্তমান পরিস্থিতি ও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে।