যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় অ্যাপল কর্তৃপক্ষ তাদের ওয়াচের ব্যাটারি প্রতিস্থাপনের খরচ এবং এর কার্যকারিতা নিয়ে ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দিকনির্দেশনা দিয়েছে। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির আয়ু ফুরিয়ে এলে ডিভাইসটি ফেলে না দিয়ে ব্যাটারি পরিবর্তনের মাধ্যমে এর ব্যবহারযোগ্যতা বাড়ানোর বিষয়টি এখন গ্রাহকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
খরচ ও সেবা পদ্ধতি
অ্যাপল থেকে সরাসরি ব্যাটারি পরিবর্তনের জন্য সাধারণত ৯৯ ডলার খরচ হয়। বেস্ট বাই-এর মতো অনুমোদিত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও একই খরচে এই সেবা দিয়ে থাকে। সাধারণত এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় প্রয়োজন হয়। অনলাইন বা সরাসরি স্টোরে গিয়ে এর জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া সম্ভব। অ্যাপল কেয়ার প্ল্যান থাকলে ব্যাটারির ক্ষমতা ৮০ শতাংশের নিচে নামলে তা কাভার করার নিয়ম রয়েছে, তবে সাধারণ ব্যবহারের ফলে ব্যাটারি ক্ষয় হওয়া এর অন্তর্ভুক্ত নয়।
DIY বা নিজে পরিবর্তনের ঝুঁকি
অনেকে সাশ্রয়ের কথা ভেবে নিজে ব্যাটারি পরিবর্তনের চেষ্টা করেন। আইফিক্সিট-এর মতো প্রতিষ্ঠান পুরনো মডেলের ব্যাটারি সরবরাহ করে এবং তাদের নির্দেশিকা অনুসরণ করে অনেকে কাজ করতে পারেন। তবে অ্যাপলের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে যে, এই জটিল প্রক্রিয়ায় ঝুঁকি থাকে এবং নতুন মডেলের ক্ষেত্রে এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
কখন নতুন ঘড়ি কেনা উচিত
ব্যাটারি পরিবর্তনের আগে সফটওয়্যার আপডেট বা ওয়াচ ওএস-এর সামঞ্জস্যতা যাচাই করা জরুরি। ওয়াচ ওএস ২৭ কেবল সিরিজ ৯, এসই ৩ এবং আল্ট্রা ২ ও তার পরবর্তী মডেলগুলোতে কার্যকর। অর্থাৎ সিরিজ ৮ বা তার পুরনো মডেলগুলো নতুন আপডেট পাবে না। তবে পুরোনো মডেলগুলো সচল থাকলেও নিরাপত্তার খাতিরে খুব বেশি পুরনো ডিভাইস ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সাধারণত ৫ বছরের বেশি পুরনো মডেল হলে ব্যাটারি পরিবর্তনের চেয়ে নতুন ঘড়ি কেনাই বেশি লাভজনক হতে পারে।