ঢাকাWednesday , 26 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

লুইজিয়ানায় ১০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নতুন ‘স্টারবেস’ তৈরি করছে স্পেসএক্স


August 26, 2026 10:15 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার উপকূলে ১০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নতুন একটি ‘স্টারবেস’ লঞ্চ সাইট নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে স্পেসএক্স। লুইজিয়ানার গভর্নর জেফ ল্যান্ড্রি এবং স্পেসএক্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাজ্যের পেকান আইল্যান্ড এলাকায় ১২৫,০০০ একর বা ১৯৫ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে এই বিশাল মহাকাশ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হবে। এটি হবে স্পেসএক্সের বিশাল স্টারশিপ রকেটের তৃতীয় উৎক্ষেপণ কেন্দ্র।

স্পেসএক্স-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, এই স্পেসপোর্টটি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যা আগে কেবল সায়েন্স ফিকশন বা কল্পবিজ্ঞানে দেখা যেত। মহাকাশ ভ্রমণকে নিয়মিত বিমান যাত্রার মতো সহজ করার লক্ষ্যেই এই কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পরিকাঠামো ও সক্ষমতা

নতুন এই স্থাপনায় পাঁচটি লঞ্চ কমপ্লেক্স থাকবে, যার প্রতিটিতে দুটি করে লঞ্চ প্যাড যুক্ত থাকবে। লুইজিয়ানা রাজ্যের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখানে রকেটের জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্র, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা, যান প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট এবং কর্মীদের আবাসন সুবিধা থাকবে। স্টারবেস লুইজিয়ানা থেকে বছরে হাজার হাজার স্টারশিপ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা পৃথিবী ও চাঁদের কক্ষপথসহ মঙ্গল গ্রহে অভিযানে সহায়তা করবে।

কৌশলগত গুরুত্ব

এই স্থান থেকে স্টারশিপ রকেটগুলো দক্ষিণ দিকে মেরু অঞ্চলের দিকে উৎক্ষেপণ করা যাবে, যা স্পেসএক্সের ‘স্টারমাইন্ড’ ডেটা সেন্টার স্যাটেলাইটগুলোকে সঠিক কক্ষপথে স্থাপন করতে সাহায্য করবে। এছাড়া রকেটের মিথেন-ভিত্তিক জ্বালানি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক গ্যাস এই অঞ্চলে সহজলভ্য হওয়ায় স্পেসএক্স কৌশলগত সুবিধা পাবে।

পরিবেশ ও সময়সীমা

পেকান আইল্যান্ড এলাকাটি আগে এক্সন মোবাইলের মালিকানাধীন ছিল। পরিবেশগত ক্ষতির মামলার নিষ্পত্তির অংশ হিসেবে এটি রাজ্যের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। লুইজিয়ানা সরকারের সাথে চুক্তির আওতায় স্পেসএক্স ওই এলাকার জলাভূমি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী সুরক্ষা এবং ঝড় থেকে রক্ষায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হবে ২০২৭ সালে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে প্রথম রকেট উৎক্ষেপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।