যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস এবং নিউইয়র্কের বিভিন্ন বিমানবন্দরে দুই দশক আগের সেলিব্রিটিদের ফ্যাশন ট্রেন্ড আবারও আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ফ্যাশন এডিটর কেলসি স্টুয়ার্ট এই স্টাইলগুলো পুনরুত্থানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। মূলত ২০০০-এর দশকে বিমানবন্দরে তারকাদের যে অনাড়ম্বর অথচ আকর্ষণীয় সাজ পোশাকের ধারা ছিল, তা বর্তমান সময়ের ভ্রমণকারীদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই সময়ে তারকাদের বিমানবন্দরের সাজ ছিল অনেকটা স্বতঃস্ফূর্ত। তখন বিমানবন্দরের টার্মিনালগুলো প্যাপারাজ্জিদের উপস্থিতির কারণে অনেকটা রানওয়ের রূপ নিত।
প্যারিস হিলটন সেই সময়ে উজ্জ্বল রঙের কমফোর্টেবল পোশাক বা ওয়েলর ট্র্যাকস্যুট পরে বিমানবন্দরে আসতেন। আবার ওলসেন টুইনসের পছন্দ ছিল ঢিলেঢালা লম্বা কোট এবং বড় আকারের হ্যান্ডব্যাগ। সুপারমডেল নাওমি ক্যাম্পবেল সে সময়ে মিলিটারি ধাঁচের জ্যাকেট ও ট্রাউজারের সাথে অদ্ভুত সব এক্সেসরিজ ব্যবহার করে নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন।
ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামের স্টাইল ছিল কিছুটা ভিন্ন। তিনি বিমানবন্দরে হিল জুতো পরে আসার সাহসী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। অন্যদিকে টাইরা ব্যাংকস হেডস্কার্ফ, চামড়ার জ্যাকেট এবং স্নিকার্সের মাধ্যমে একটি কুল লুক তৈরি করতেন, যা বর্তমান সময়েও বেশ প্রাসঙ্গিক।
মূলত আরামদায়ক এবং ক্যাজুয়াল সাজই সেই সময়ের বিমানবন্দর ফ্যাশনের মূল ভিত্তি ছিল, যা এখন আবার নতুন করে ফ্যাশন সচেতনদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।