ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ভারতের মুম্বাই থেকে বাংলাদেশে পুশইন: সন্তানদের কাছে ফিরতে চান শাহিদা

International Desk
July 31, 2026 7:20 am
Link Copied!

বাংলাদেশের সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালি গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া শাহিদা ফকির নামে এক নারী। গত ১৮ বা ১৯ জুলাই মুম্বাই থেকে আটকের পর তাকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। মানবিক কারণে বর্তমানে ওই নারী স্থানীয় আবুল বাশার ও আরিফা বেগম দম্পতির বাড়িতে অবস্থান করছেন।

শাহিদা ফকির জানান, দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তিনি পরিবারের সঙ্গে মুম্বাইয়ে বসবাস করছিলেন। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে মুম্বাইয়ের স্থানীয় একটি বাজার থেকে ফেরার পথে ভারতীয় সিআইডি পরিচয়ে ৪-৫ জনের একটি দল তাকে আটক করে। বৈধ নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং কোনো যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। এরপর তাকে মুম্বাইয়ের চেম্বুর ডিটেনশন ক্যাম্পে চার দিন আটকে রাখা হয় এবং পরে বিমানে আসাম সীমান্তে নিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশের সীমানায় ঠেলে দেওয়া হয়।

শাহিদা দাবি করেন, তিনি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার গোবিন্দপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। তার স্বামী কাজের সূত্রে মুম্বাইয়ে থাকলেও শ্বশুর মারা যাওয়ার পর তিনি গ্রামে ফিরে গেছেন। বর্তমানে শাহিদার ২৩ ও ১৪ বছর বয়সী দুই সন্তান ভারতে রয়েছে। তিনি কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি ভারতের নাগরিক এবং দ্রুত আমার সন্তানদের কাছে ফিরে যেতে চাই।

আশ্রয়দানকারী আরিফা বেগম জানান, তার স্বামী বেনাপোল এলাকায় অসুস্থ ও বিপর্যস্ত অবস্থায় শাহিদা ফকিরকে দেখতে পান। তাকে উদ্ধার করে বাসায় আনার পর থেকে গত পাঁচ দিন ধরে তিনি এখানেই থাকছেন। শাহিদার শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যে, ওই নারী ভারতের দূরবর্তী কোনো এলাকা থেকে বাংলাদেশে পুশইন হয়ে কলারোয়ায় এসেছেন।

এ বিষয়ে কলারোয়া থানার ওসি এইচ এম শাহীন জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন। ঢাকা থেকে আসা কয়েকজন সাংবাদিক স্থানীয়দের কাছ থেকে বিস্তারিত শুনেছেন এবং সরকারি ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওই নারীকে তার দেশে পাঠানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন।