বাংলাদেশের ঢাকায় বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত খনিজ সম্পদের অবস্থান ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে একটি সমন্বিত মানচিত্র তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। দেশের বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তরে ছড়িয়ে থাকা ভূতাত্ত্বিক জরিপ এবং ব্লকের তথ্যগুলো একত্রিত করে একটি আধুনিক ও একক ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি। এই উদ্যোগটি সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি এলাকায় জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহের সঠিক চিত্র পাওয়া জরুরি। বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দ্রুত চিহ্নিত করে তার যথাযথ সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক পরিকল্পনার ওপর জোর দেন তিনি।
প্রকল্পের অগ্রাধিকার ও অনুমোদন
বিদ্যুৎ ভবনের পাশাপাশি সচিবালয়ে আয়োজিত অপর এক সভায় বিদ্যুৎ বিভাগের অনিষ্পন্ন প্রকল্পগুলোর অনুমোদন ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। সেখানে তিনি বিভিন্ন প্রকল্পের উপস্থাপনা দেখেন এবং প্রকল্পগুলোর যৌক্তিকতা ও জনকল্যাণে সেগুলোর অবদানের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার তালিকা তৈরির নির্দেশনা দেন।
অপচয় রোধ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি
অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে অপরিকল্পিত এবং অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পে সরকারি অর্থের অপচয় আর না হওয়ার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি কর্মকর্তাদের সকল প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপনের নির্দেশ দেন। একই সাথে এই জনসেবামূলক খাতের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সকল প্রয়োজনীয় উদ্যোগ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
সভায় বিদ্যুৎ সচিব মিরাণা মাহরুখসহ বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।