ঢাকাSaturday , 1 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

আশুলিয়ায় ‘টাকলা’ বিপ্লব গ্রেপ্তার; প্যান্টের কিসিমে ১১ পিস ইয়াবা উদ্ধার


July 31, 2026 10:45 pm
Link Copied!

বাংলাদেশের ঢাকার আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযানে টাকলা নামে পরিচিত ৪০ বছর বয়সী বিপ্লব সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার কাছ থেকে ১১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে—এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। এ ঘটনাটি গুরুত্ব বহন করছে কারণ পুলিশ এখন ইয়াবার উৎস, সম্ভাব্য সহযোগী ও কোনো সংগঠিত চক্র আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে।

অভিযান ও গ্রেপ্তার: পুলিশের একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার বিশেষ টিম বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইয়ারপুর ইউনিয়নের ঘোষবাগ বাঁশতলা এলাকার এবিসি গলিতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে অভিযানে বিপ্লব সরকারকে আটক করা হয়।

তল্লাশি ও জিনিষপত্র উদ্ধার: আটককৃতের দেহ তল্লাশি করে পরিহিত প্যান্টের ডান পকেট থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ১১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

ব্যক্তিগত পরিচয়: গ্রেপ্তারকৃত বিপ্লব সরকার লালমনিরহাট সদর উপজেলার চিনিপাড়া এলাকার সামছুল হকের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়ার ঘোষবাগ বড়বাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে বসবাস করছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদ ও বক্তব্য: প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিপ্লব সরকার স্বীকার করেছেন যে তিনি ঢাকা ও অন্যান্য এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন। আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে এবং উদ্ধার হওয়া ইয়াবার উৎস, সম্ভাব্য সহযোগী এবং সংঘবদ্ধ কোনো চক্র আছে কি না, তা গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ: স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ঘোষবাগ, জিরাবো, কাঠগড়া, জামগড়া ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মাদক কেনাবেচার অভিযোগ ছিল। এলাকাবাসী দাবি করেন, নিয়মিত অভিযানে খুচরা পর্যায়ের মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার হলেও পেছনের সরবরাহকারী ও নিয়ন্ত্রণকারী চক্রের অনেকেই এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে, ফলে মাদকের বিস্তার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না।

অপেক্ষা করা হচ্ছে মামলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ও তদন্তের পর পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম নেওয়া হবে।