যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে প্রকাশিত সেলসফোর্সের ‘স্টেট অফ কমার্স’ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, গত ১২ মাসে কেনাকাটার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে এআই এজেন্ট বা সার্চের ব্যবহার ২০০ শতাংশ বেড়েছে। ৩,৪৫০ জন বাণিজ্য পেশাজীবী ও ৪,৬৯০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ এবং দেড়শ কোটির বেশি বৈশ্বিক ক্রেতার আচরণের তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। বাণিজ্য খাতের ৮৬ শতাংশ নেতা মনে করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রাহকদের প্রত্যাশার মান অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
বর্তমানে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে এআই প্রযুক্তির বাস্তবায়ন ও বিস্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আর ছোটখাটো পাইলট প্রজেক্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না; বরং ২০২৬ সালকে তারা এআইয়ের অপারেশনাল স্কেল বা কার্যকর বাণিজ্যিক ব্যবহারের বছর হিসেবে দেখছে।
এআই এজেন্টের ব্যবহারের শীর্ষ পাঁচটি ক্ষেত্রের মধ্যে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় গ্রাহক সেবা, শপিং কনসিয়ার্জ, পণ্যের মজুদ ব্যবস্থাপনা, জালিয়াতি শনাক্তকরণ ও মার্চেন্ডাইজিং অপ্টিমাইজেশন। তবে এই প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বিচ্ছিন্ন ডেটা সিস্টেম এবং কার্যকর কৌশলের অভাব। বর্তমানে মাত্র ২৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক ডেটা বিক্রয়, সেবা, বিপণন ও বাণিজ্য টিমের মধ্যে সমন্বিত অবস্থায় রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে প্রতিষ্ঠানগুলো ডেটা সমন্বিত করে এআইয়ের কার্যকর প্রয়োগ ঘটাতে পারছে, তারা রাজস্ব বৃদ্ধি, কর্মদক্ষতা এবং গ্রাহক সন্তুষ্টির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পাচ্ছে। আগামী এক বছরের মধ্যে পণ্যের তথ্যের খোঁজে এআই সার্চ অপরিহার্য হয়ে উঠবে বলে অধিকাংশ বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ মত দিয়েছেন।