যুক্তরাষ্ট্রের হেলথ ডট কমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রোটিন পাউডার গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো দৈনিক সীমা নির্ধারণ করা নেই, তবে এটি মূলত একজন ব্যক্তির সামগ্রিক স্বাস্থ্যের অবস্থার ওপর নির্ভর করে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রোটিন পাউডার মূলত সাপ্লিমেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং এটি নিয়মিত খাবারের বিকল্প হওয়া উচিত নয়।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করলে তা শরীরের কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং হজম প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিন পাউডার গ্রহণ ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ায়।
সতর্কতা
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, প্রোটিন পাউডার ব্যবহারের আগে শরীরচর্চার লক্ষ্য, ওজন এবং প্রতিদিনের সাধারণ খাবার থেকে কতটুকু প্রোটিন পাওয়া যাচ্ছে তা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। সব ধরনের মানুষের জন্য প্রোটিন পাউডার সমানভাবে কার্যকর নয়, তাই সঠিক পরিমাণ নিশ্চিত করতে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।