ঢাকাFriday , 14 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে কোন সুরা পড়া সুন্নত, জানালেন শায়েখ আহমাদুল্লাহ


August 14, 2026 6:45 pm
Link Copied!

বাংলাদেশের একটি অনলাইন লাইভ প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়েখ আহমাদুল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সুন্নতসম্মত কেরাত বা সুরা পড়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। নামাজে সুরা নির্বাচনের সঠিক নিয়ম বা সুন্নত পদ্ধতি অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্যই এই আলোচনাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

শায়েখ আহমাদুল্লাহ জানান, নবীজি (সা.) সাধারণত ফজরের নামাজে ‘তিওয়ালে মুফাসসাল’ বা দীর্ঘ সুরাগুলো পাঠ করতেন। জোহরের নামাজে কখনো দীর্ঘ সুরা, আবার কখনো ‘আওসাতে মুফাসসাল’ বা মধ্যম কলেবরের সুরা পড়তেন। আসর ও ইশার নামাজে সাধারণত মধ্যম মাপের সুরা এবং মাগরিবের নামাজে সবচেয়ে ছোট সুরা বা ‘কিসারে মুফাসসাল’ তিলাওয়াত করতেন।

তিওয়ালে মুফাসসালের পরিমাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি মূলত ৩০ নম্বর পারার বড় সুরাগুলোকে বোঝায়। অনেক ইমামের মতে, দুই রাকাতে অন্তত ৪০টি আয়াত তিলাওয়াত করলে তিওয়ালে মুফাসসালের সুন্নত আদায় হয়। তবে এর অর্থ এই নয় যে কেবল ৩০ নম্বর পারার সুরাগুলোই পড়তে হবে। কোরআনের যেকোনো স্থান থেকে সমপরিমাণ আয়াত তিলাওয়াত করলেও এই সুন্নত পালন করা সম্ভব।

শায়েখ আরও জানান, জোহরের ক্ষেত্রে সুরা ইনশিকাক, সুরা আ’লা, সুরা গাশিয়া বা সুরা বুরুজের সমপরিমাণ সুরা যেকোনো স্থান থেকে পাঠ করা যেতে পারে। এছাড়া সফরের অবস্থায় নবীজি (সা.) সাধারণত সংক্ষিপ্ত কেরাত পড়তেন, যেখানে প্রথম রাকাতে সুরা কাফিরুন এবং দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ইখলাস পড়ার প্রমাণ রয়েছে।

পরিশেষে তিনি বলেন, এই নিয়মগুলো স্বাভাবিক পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য। নবীজি (সা.) থেকে এর ব্যতিক্রম আমলও প্রমাণিত আছে। তবে সচরাচর এবং বেশিরভাগ সময় এই সুন্নত পদ্ধতি মেনে চলা উত্তম, কারণ নবীজি (সা.) বলেছেন, তিনি যেভাবে নামাজ আদায় করেন, মুসল্লিদেরও সেভাবে নামাজ পড়তে হবে। ইমাম এবং ব্যক্তিগতভাবে নামাজ আদায়কারী সবার জন্যই এই সুন্নতগুলো অনুসরণ করা শ্রেয়।