ঢাকাFriday , 31 July 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

পাঁচ বছরে ছানিজনিত অন্ধত্ব মুক্ত হবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

Truth Post
July 23, 2026 8:45 pm
Link Copied!

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ছানিজনিত অন্ধত্ব নির্মূলের লক্ষ্যে একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘বাংলাদেশে উন্নত চক্ষুসেবা: দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধে কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক এই কর্মশালায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশ থেকে ছানিজনিত অন্ধত্ব সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। সরকারি, বেসরকারি এবং এনজিও খাতের সমন্বিত উদ্যোগ ও জাতীয় রোডম্যাপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অর্জন সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের চক্ষু চিকিৎসায় সরকারি ও বেসরকারি খাতে অনেক কাজ হলেও একটি সমন্বিত রিপোর্টিং সিস্টেমের অভাব রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে একটি ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ গ্রহণ করা হয়েছে। পাঁচ বছর মেয়াদি এই পরিকল্পনার আওতায় প্রথম বছরেই জেলা হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হবে এবং প্রয়োজনে নতুন জনবল নিয়োগ করা হবে।

চক্ষুসেবা সবার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রতিমন্ত্রী বিশেষ কিছু উদ্যোগের কথা জানান। এর মধ্যে রয়েছে স্কুলগামী শিশুদের চোখের সমস্যা শনাক্ত করে চশমা সরবরাহ এবং কলকারখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা। তিনি জানান, ব্যাপকভিত্তিক ক্যাটারাক্ট সার্জারি প্রোগ্রাম পরিচালনার মাধ্যমে প্রতি বছর কয়েক লাখ সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হবে, যা দেশকে অন্ধত্বমুক্ত করতে সহায়তা করবে।

চিকিৎসা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির মতো জটিল রোগের চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তি বড় ভূমিকা রাখতে পারে। হাইটেক চক্ষু সেবা কেবল শহরের মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রান্তিক ও গরিব মানুষের কাছে নাগরিক অধিকার হিসেবে পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।

কর্মশালায় চক্ষু খাতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দক্ষ জনবলের অভাবের কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মান ও সংখ্যা বাড়িয়ে চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে এআরকে ফাউন্ডেশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিদের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পাশাপাশি দেশের প্রবীণ চক্ষু বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।