যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের অগাস্টায় অনুষ্ঠিত টেকনেট অগাস্টা সম্মেলনে মার্কিন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গোয়েন্দা তথ্যের সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ এবং ডেটা ব্যবহারের মতো চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় তারা বেসরকারি খাতের দ্বারস্থ হচ্ছেন। সেনাবাহিনীর কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল পোর্টফোলিও এক্সিকিউটিভ জোসেফ ওয়েলচ জানিয়েছেন, বর্তমানে সৈন্যরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, তা নিরসনে নতুন সরঞ্জাম তৈরির জন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে প্রস্তাব চাওয়া হচ্ছে।
প্রথাগত কঠোর নিয়মের পরিবর্তে সেনাবাহিনী এখন ‘ক্যারাকটারিস্টিকস অফ নিড’ (CoN) বা প্রয়োজনের বৈশিষ্ট্য নামক একটি নথির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। জোসেফ ওয়েলচ জানান, এটি সেনাবাহিনীর জন্য একটি দিকনির্দেশক হিসেবে কাজ করবে। নতুন এই প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট কোনো সরঞ্জামের বর্ণনা না দিয়ে বরং বড় ধরনের সমস্যাগুলো তুলে ধরা হয়, যাতে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে এগিয়ে আসতে পারে।
সেনাবাহিনী এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসে কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম অপারেশনের জন্য একই ধরনের নথি তৈরি করেছিল। ওয়েলচের দাবি, পূর্বের এই উদ্যোগগুলো সফল হয়েছে এবং তা সেনাবাহিনীর জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তিগত সমাধানের পথ প্রশস্ত করেছে।
সাম্প্রতিক বৈদেশিক অভিযান, দক্ষিণ সীমান্তের মিশন এবং পরীক্ষামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা থেকে জানা গেছে যে, পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে দ্রুত খাপ খাওয়াতে পারে এমন নমনীয় ও কার্যকর গোয়েন্দা সরঞ্জামের কোনো বিকল্প নেই। ওয়েলচ আরও জানান, পরিস্থিতির পরিবর্তনের সাথে সাথে এই নথিগুলো নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে। এছাড়া, প্রশিক্ষণের জন্য সিমুলেশন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে আরেকটি নির্দেশিকা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।