যুক্তরাষ্ট্রের গুগল তাদের নতুন পিক্সেল ১১ সিরিজের স্মার্টফোন আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে। জেডডিএনইটি-র প্রযুক্তি বিশ্লেষক সিজার ক্যাডেনা জানিয়েছেন, পিক্সেল ১১ সিরিজের প্রো বা ফোল্ড মডেলের চেয়ে এর মূল বা বেস মডেলটি ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক বেশি যৌক্তিক ও সাশ্রয়ী বিকল্প হতে পারে। পিক্সেল ১১ প্রো-এর তুলনায় এটি ২০০ ডলার কম মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে, অথচ পারফরম্যান্সের দিক থেকে খুব বেশি পার্থক্য নেই।
ডিজাইনের ক্ষেত্রে গত বছরের পিক্সেল ১০-এর সাথে নতুন পিক্সেল ১১-এর সাদৃশ্য থাকলেও এতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন মডেলে যুক্ত হয়েছে শক্তিশালী টেনসর জি৬ চিপসেট, যা ইমেজ প্রসেসিং ও এআই ফিচার ব্যবহারে গতি বাড়াবে। এছাড়া এর ক্যামেরা মডিউলের ডিজাইনে কিছুটা পরিবর্তন এনে এটিকে আরও স্লিম করা হয়েছে।
ক্যামেরার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পিক্সেল ১১-এর মূল সেন্সরটিকে বড় করা হয়েছে, যা আগের তুলনায় ৫৬ শতাংশ বেশি আলো শোষণ করতে পারে। ফলে কম আলোতেও আগের চেয়ে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল ছবি তোলা সম্ভব হবে। এছাড়া ম্যাজিক ক্যাপচার ও ক্যামেরা লুকসের মতো নতুন সফটওয়্যার ফিচারগুলো ব্যবহারকারীর ফটোগ্রাফি অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করবে।
পিক্সেল ১১-এর স্টোরেজ সক্ষমতাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন ১২৮ জিবির পরিবর্তে ২৫৬ জিবি থেকে এর স্টোরেজ শুরু হচ্ছে। ব্যাটারির সক্ষমতা কিছুটা বাড়িয়ে ৪,৯৮৫ এমএএইচ করা হয়েছে, যা চার্জের ক্ষেত্রেও ভালো ফলাফল দেবে। প্রো মডেলে ‘হাইলাইট’ নামক একটি ফিচার থাকলেও বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি খুব একটা প্রভাব ফেলার মতো ফিচার নয়।
পিক্সেল ১১-এর বেস মডেলের দাম শুরু হয়েছে ৮৯৯ ডলার থেকে। এটি ইতিমধ্যে প্রি-অর্ডারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং ২০ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে পাওয়া যাবে।