ঢাকাTuesday , 4 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

নতুন অর্থবছরের শুরুতে পোশাক রফতানিতে ১.৯২ শতাংশ পতন


August 4, 2026 9:00 am
Link Copied!

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের রফতানি নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে আগের বছরের তুলনায় ১.৯২ শতাংশ কমেছে। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে পোশাক রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে এই অংক ছিল ৩.৯৬ বিলিয়ন ডলার। তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এই পরিসংখ্যানকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছে।

বিজিএমইএ-এর মতে, গত বছরের জুলাই মাসে রফতানির পরিমাণ ছিল রেকর্ড ৩.৯৬ বিলিয়ন ডলার, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২৪.৬৭ শতাংশ বেশি ছিল। অর্থনীতিতে ‘বেস ইফেক্ট’ বা উচ্চ ভিত্তির প্রভাবের কারণে সেই রেকর্ড পরিসংখ্যানের সঙ্গে তুলনা করলে সামান্য পতন স্বাভাবিক। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৩.৯ বিলিয়ন ডলারের রফতানি পোশাক শিল্পের সক্ষমতা ও স্থিতিস্থাপকতারই প্রমাণ বলে মনে করছে সংগঠনটি।

শিল্প মালিকরা জানান, বর্তমানে পোশাক খাতের প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্যাসের তীব্র সংকট। শিল্পাঞ্চলগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপের অভাবে অনেক কারখানায় উৎপাদন পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সময়মতো পণ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এর পাশাপাশি ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার ওঠানামাও রফতানির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাই মাসে ওভেন পোশাক রফতানি ৩.১৬ শতাংশ কমলেও নিট পোশাক রফতানি কমেছে মাত্র ০.৯০ শতাংশ। অর্থাৎ নিটওয়্যার খাত তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। তবে রফতানির প্রস্তুতি ও কাঁচামাল ব্যবহারের সূচক ইউডি (ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় ইউডির পরিমাণ ২.৮ শতাংশ কমেছে, যা রফতানি কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতার ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ভিয়েতনাম, ভারত ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলো বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের জন্য কঠিন প্রতিযোগিতা তৈরি করেছে। এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং লজিস্টিকস ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হলে এবং প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা অব্যাহত থাকলে আগামী মাসগুলোতে পোশাক রফতানি পুনরায় ইতিবাচক ধারায় ফিরবে বলে আশাবাদী বিজিএমইএ।