ঢাকাFriday , 18 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

বিয়ের অনুষ্ঠানে ডেকে দুই নৃত্যশিল্পীকে গণধর্ষণ: প্রধান আসামি রাকিব গ্রেফতার


September 17, 2026 2:15 am
Link Copied!

বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশনের নামে দুই নারী নৃত্যশিল্পীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি মুজাহিদ ওরফে রাকিব মিয়াকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলায় রাকিবের নানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসআরবি-৯-এর গণমাধ্যম শাখা বুধবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গ্রেফতার রাকিব সরাইলের বুড্ডা এলাকার বাসিন্দা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার চান্দিনার একটি পেশাদার নৃত্যশিল্পী দলকে সরাইলে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ৯ হাজার টাকায় চুক্তি করে আমন্ত্রণ জানান রাকিব। চুক্তির অংশ হিসেবে ২ হাজার টাকা অগ্রিমও দেওয়া হয়। আমন্ত্রিত দুই নৃত্যশিল্পী ও তাদের সহযোগী এক তরুণ সরাইলে পৌঁছালে তাদের অনুষ্ঠানের মঞ্চে না নিয়ে তিতাস নদীর মাঝখানে নৌকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নৌকার ইঞ্জিন বন্ধ করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের জিম্মি করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ওইদিন বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নৌকার ভেতর ছয় যুবক মিলে দুই নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে ভুক্তভোগীদের নাসিরনগরের ভূঁইয়ার ঘাট এলাকায় ফেলে রেখে অভিযুক্তরা নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগীদের একজন বাদী হয়ে সরাইল থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর সরাইল থানা পুলিশ শান্ত বিশ্বাস নামের একজনকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এসআরবি-৯ সিলেটের বিয়ানীবাজারে অভিযান চালিয়ে রাকিব মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এসআরবি-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম জানান, রাকিব মিয়াকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ভুক্তভোগীরা প্রথমে নাসিরনগর থানায় গেলেও ঘটনাস্থল সরাইল থানার অধীনে হওয়ায় তাদের সেখানে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।