ঢাকাTuesday , 4 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাজ্যে জ্বালানি তেল চুরি বেড়েছে দৈনিক ২ লাখ পাউন্ড


August 4, 2026 2:00 pm
Link Copied!

যুক্তরাজ্যে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দুই লাখ পাউন্ড মূল্যের জ্বালানি তেল চুরি হচ্ছে। তেল চুরি প্রতিরোধকারী প্রতিষ্ঠান ফোরকোর্ট আই-এর এক বিশ্লেষণে এই তথ্য উঠে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় যুক্তরাজ্যে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা পর্যায়ে।

ফোরকোর্ট আই জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে পাঁচ মাসে জ্বালানি তেল চুরির ঘটনা আগের তুলনায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। যুদ্ধের আগের পাঁচ মাসের তুলনায় চুরিকৃত জ্বালানির আর্থিক মূল্য ৪৮ শতাংশ বেড়ে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার পাউন্ডে দাঁড়িয়েছে।

চুরির পাশাপাশি পাম্পগুলোতে গ্রাহকদের অসহিষ্ণু আচরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সহিংসতার ঘটনাও বাড়ছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ব্রিটেনের ৮ হাজার ৩৫৯টি পাম্পের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যুদ্ধ শুরুর পর প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৮৭২টি চুরির ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার মধ্যে টাকা পরিশোধ না করে গাড়ি নিয়ে চলে যাওয়া বা তেল নেওয়ার পর টাকা দেওয়ার অক্ষমতা প্রকাশের মতো ঘটনা অন্তর্ভুক্ত।

চুরি ঠেকাতে পদক্ষেপ

পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফোরকোর্ট আই ফেসওয়াচ নামক একটি ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রতিষ্ঠানের সাথে জোট বাঁধছে। এর মাধ্যমে শরতের শুরু থেকে দুই হাজারের বেশি খুচরা বিক্রেতা বিনামূল্যে অপরাধ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ

মিডল্যান্ডস মোটর ফুয়েলস-এর স্বত্বাধিকারী শৈলেশ পারেখ জানান, পর্যাপ্ত সিসিটিভি ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও চুরি রোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে কারণ অপরাধীদের মধ্যে কোনো ভয় নেই। তিনি বলেন, তার প্রতিষ্ঠানে প্রায় প্রতিদিন চুরির ঘটনা ঘটছে এবং চোরেরা এখন তেলের ট্যাংকের পাশাপাশি বাড়তি ক্যানেও তেল ভরছে।

সরকারি তদারকি

যুক্তরাজ্যের নতুন চ্যান্সেলর জন হেলি জানিয়েছেন, জ্বালানি বিক্রেতারা ভোক্তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মুনাফা বা প্রাইস-গাউজিং করছে কিনা, সরকার তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তবে কম্পিটিশন অ্যান্ড মার্কেটস অথরিটি জানিয়েছে, তেলের দাম বৃদ্ধির পেছনে বড় ধরনের কারসাজির কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। রিটেইল কনসোর্টিয়ামের দাবি, জাতীয় বীমা অবদান বৃদ্ধি এবং উচ্চ করের কারণে তেলের দাম বেড়ে গেছে।