যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে পেন্টাগন জানিয়েছে, এফ-৩৫ জয়েন্ট স্ট্রাইক ফাইটারের তিনটি ভেরিয়েন্টের উৎপাদন খরচ প্রায় ১১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এফ-৩৫ জয়েন্ট প্রোগ্রাম অফিসের মুখপাত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত মুদ্রাস্ফীতি, কাঁচামালের উচ্চমূল্য এবং সরবরাহ ব্যবস্থার সংকটের কারণে এই ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
এফ-৩৫ এ মডেলের প্রতিটি যুদ্ধবিমানের ফ্লাইঅ্যাওয়ে খরচ ১৮তম ও ১৯তম উৎপাদন লটে ৯২ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আগের লটে এই খরচ ছিল ৮২.৫ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ খরচ বেড়েছে ১১.৫ শতাংশ। আগামী দুই বছরে এই বিমানগুলো সরবরাহ করা হবে।
একইভাবে, এফ-৩৫ বি মডেলের দাম বেড়ে ১২১.৪ মিলিয়ন এবং এফ-৩৫ সি মডেলের দাম ১১০.৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে এফ-৩৫ বি মডেলের দাম ছিল ১০৯ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে এফ-৩৫ সি মডেলের ক্ষেত্রে খরচের হার ৮.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগের ১০২.১ মিলিয়ন ডলার থেকে বেড়েছে।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের মতে, এই প্রতিবেদনটি প্রোগ্রামটির পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনে যাওয়ার বিষয়টি নির্দেশ করছে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, বর্তমানে তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো আধুনিকীকরণ, ফ্লিট বা বিমানবহরের সক্ষমতা বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নিয়ন্ত্রণ করা।
উল্লেখ্য যে, ফ্লাইঅ্যাওয়ে খরচের মধ্যে সরকারি সরঞ্জামের খরচও অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনির তৈরি এফ১৩৫ ইঞ্জিন এবং নর্থরপ গ্রুমম্যানের তৈরি রাডার অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে এফ-৩৫ প্রোগ্রামের অধীনে বিশ্বের ২০টি দেশের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে। পেন্টাগন ১৮তম ও ১৯তম লটে মোট ২৯৬টি বিমান সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে।