ঢাকাThursday , 6 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অস্ত্রাগারে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হচ্ছে লেজার গান


August 5, 2026 1:30 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ড্রোন হামলার ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় পেন্টাগন প্রথমবারের মতো ‘এন্ডুরিং হাই এনার্জি লেজার’ বা লেজার অস্ত্র সংগ্রহের জন্য একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে। এই চুক্তির ফলে প্রথমবারের মতো সরাসরি শক্তিচালিত অস্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন সেনাবাহিনীর অস্ত্রাগারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে অবগত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহেই এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ
ইউক্রেন ও ইরান যুদ্ধের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ড্রোনগুলো অত্যন্ত সস্তা এবং সংখ্যায় প্রচুর হওয়ায় প্রথাগত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে এগুলো ঠেকানো প্রায় অসম্ভব ও ব্যয়বহুল। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক মিলিয়ন ডলারের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে মাত্র কয়েক হাজার ডলারের ড্রোন ধ্বংস করতে হচ্ছে, যা মার্কিন গোলাবারুদের মজুদ কমিয়ে দিচ্ছে। লেজার অস্ত্রের সুবিধা হলো, বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলে এটি বারবার ব্যবহার করা যায় এবং এতে প্রথাগত গোলাবারুদের প্রয়োজন হয় না।

প্রযুক্তিগত পটভূমি
গত ৫০ বছর ধরে মার্কিন সামরিক বাহিনী লেজার অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালালেও তা সেভাবে সফল হয়নি। তবে আধুনিক ফাইবার লেজার এবং সেমিকন্ডাক্টর ডায়োডের উন্নতির ফলে এখন এটি কার্যকর রূপ পেয়েছে। অ্যারোভায়রনমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের এই চুক্তির আওতায় ২০টি লেজার সিস্টেম তৈরি করা হবে, যা ছোট কন্টেইনার বা অল-টেরেইন যানে বসিয়ে ব্যবহার করা সম্ভব।

চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা
লেজার অস্ত্রের সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। কুয়াশা বা বৃষ্টির মধ্যে এই অস্ত্র কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে না। এছাড়া একবারে একটি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে, ফলে একসঙ্গে অনেক ড্রোন বা ড্রোনের ঝাঁক মোকাবিলা করা কঠিন হতে পারে। এর আগে পরীক্ষা চলাকালে ভুলবশত সীমান্ত টহলের ড্রোন ধ্বংসের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটেছে। তবে পেন্টাগন এবার একে একটি নিয়মিত সামরিক কর্মসূচি বা ‘প্রোগ্রাম অব রেকর্ড’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে যাচ্ছে, যা এই প্রযুক্তির ওপর সেনাবাহিনীর গভীর আস্থার প্রতিফলন।