ঢাকাTuesday , 22 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

প্রথম ট্রাম্প-ক্লাস যুদ্ধজাহাজের ব্যয় ২৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর আশঙ্কা

International Desk
August 6, 2026 11:00 am
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার পাম বিচে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মার-এ-লাগো এস্টেটে নতুন ট্রাম্প-ক্লাস যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন। কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস (সিবিও) তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই সিরিজের প্রথম যুদ্ধজাহাজটির নির্মাণ ব্যয় ২৩.৪ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে। পরবর্তীতে নৌবাহিনী যে ১৪টি জাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে, সেগুলোর প্রতিটির গড় ব্যয় ১৮ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১৫টি পারমাণবিক শক্তিচালিত যুদ্ধজাহাজ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যার সামগ্রিক ব্যয় প্রায় ২৭৫ বিলিয়ন ডলার। প্রতিটি জাহাজের ওজন হবে প্রায় ৩৫ হাজার টন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই জাহাজগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় সারফেস কমব্যাটেন্ট বা যুদ্ধজাহাজ হবে, যা বর্তমান আরলেই বার্ক-ক্লাস ডেস্ট্রয়ারের চেয়ে তিনগুণ বড় এবং নৌবাহিনীর সক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে।

তবে নৌবাহিনীর তথ্যানুযায়ী, জাহাজগুলোর ওজন ৩৫ হাজার থেকে ৪১ হাজার টনের মধ্যে হতে পারে। যদি জাহাজের ওজন ৪১ হাজার টন পর্যন্ত পৌঁছায়, তবে প্রথম জাহাজটির নির্মাণ খরচ ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এই জাহাজগুলো পারমাণবিক অস্ত্রবহনকারী সি-লঞ্চড ক্রুজ মিসাইল (এসএলসিএম-এন) বহন করতে সক্ষম হবে। এর মাধ্যমে নৌবাহিনীর বহরে প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি কৌশলগত পারমাণবিক হামলার বড় শক্তি যুক্ত হবে।

নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ডেরিল কডল জানিয়েছেন, জাহাজটিতে জেরাল্ড আর. ফোর্ড এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারে ব্যবহৃত পারমাণবিক চুল্লি ব্যবহার করা হবে। যদিও পারমাণবিক চুল্লির কারণে প্রাথমিক ব্যয় বেশি, তবে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খরচ সাশ্রয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিবিও-এর মতে, ২০২৮ সালে প্রথম জাহাজটির নির্মাণকাজ শুরু হতে পারে এবং ২০৫৬ সালের মধ্যে ১৫টি জাহাজ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার গোল্ডেন ফ্লিট কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই জাহাজগুলোর ঘোষণা দিয়েছিলেন, যেখানে হাইপারসনিক অস্ত্র, ইলেকট্রনিক রেলগান এবং লেজার প্রযুক্তির মতো আধুনিক অস্ত্র যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।