যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) সংস্থাটি সম্প্রতি তাদের ডিএনএ সংগ্রহের কার্যক্রম উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি করেছে। ওয়্যার্ডের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, কোনো প্রকার ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড নেই এমন হাজার হাজার শিশুসহ প্রায় দশ লাখ মানুষের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে আইসিই, যা স্থায়ীভাবে এফবিআই-এর অপরাধী ডেটাবেসে জমা রাখা হচ্ছে। এই বিষয়টি দেশটির মানবাধিকার ও গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রেও নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে স্পেসএক্স-এর ফ্যালকন ৯ রকেটের একটি অংশ চাঁদের পৃষ্ঠে আঘাত করেছে, যার ফলে সেখানে নতুন একটি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া গুগল আর্থ-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুল ব্যবহারের ফলে ভুল মানচিত্র তৈরির ঘটনায় এআই প্রযুক্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এআই সংক্রান্ত সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে একটি গোপন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এআই ডেভেলপারদের মডেলগুলো প্রকাশের আগে পরীক্ষার আওতায় আনার কথা থাকলেও এর বিস্তারিত গোপনীয়তা নিয়ে সমালোচনা করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। একইসাথে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে ডেটা সেন্টার নির্মাণের বিরুদ্ধে ডান ও বামপন্থী রাজনৈতিক জোটগুলোর বিরল ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের খবরও সামনে এসেছে।
এআই ও প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর এহেন কর্মকাণ্ডে মানুষের গোপনীয়তা ও নৈতিকতার জায়গাগুলো কতটা ঝুঁকির মুখে পড়ছে, তা নিয়ে প্রযুক্তিবিদ ও সচেতন মহলে বড় ধরনের আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।