যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গত মাসে ২৩ হাজার চাকরির পদ কমেছে, যা দেশটির শ্রম বাজারের দুর্বল অবস্থাকে সামনে নিয়ে এসেছে। ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল নতুন করে ৮০ হাজার কর্মসংস্থান হবে, কিন্তু বাস্তবে চিত্রটি উল্টো হয়েছে। এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর চাপের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
সরকারি তথ্যে দেখা গেছে, স্থানীয় সরকার পর্যায়ে শিক্ষা এবং খুচরা বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে বড় ধরনের কর্মী ছাঁটাই হয়েছে। এর পাশাপাশি মে ও জুন মাসে নতুন কর্মসংস্থানের সংখ্যাও আগের হিসাব থেকে ১ লাখ ৩ হাজার কমিয়ে সমন্বয় করা হয়েছে, যা গ্রীষ্মকালে চাকরির বাজারে ধীরগতির ইঙ্গিত দেয়।
বাজার বিশ্লেষক ন্যান্সি ভ্যান্ডেন হাউটেন জানান, দুর্বল শ্রম বাজারের তথ্যের কারণে আগামী মাসে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা কমে গেছে। এই খবরের পর শুক্রবার মার্কিন শেয়ার বাজারের সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
এদিকে ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকসের তথ্য অনুযায়ী, বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে এর কারণ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি নয়, বরং কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি অংশ কাজ খোঁজা ছেড়ে দেওয়া।
বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডারেল রিজার্ভের ওপর চাপ থাকলেও চাকরির বাজারের এই ধীরগতি নীতিনির্ধারকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় জ্বালানি তেলের দাম ৪ ডলার ছাড়িয়েছে, যা নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্যকে আরও উস্কে দিচ্ছে।