যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিতর্কিত ‘প্রোটেক্ট কলেজ স্পোর্টস অ্যাক্ট’ বিলটি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন এনসিএএ সাঁতারু রাইলি গেইনস। তার দাবি, এই বিলে এমন কিছু আইনি ভাষা রয়েছে যা নারীদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সুরক্ষা আইনগুলোকে দুর্বল করে দিতে পারে। গেইনস মনে করেন, এই আইনটি নারীদের সুরক্ষার পরিবর্তে মূলত এনসিএএ-র স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে।
গেইনস জানান, বর্তমান খসড়া বিলে রাজ্যগুলোর ক্রীড়া যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষমতার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটরা আইনি সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের নারীদের ক্রীড়া সুরক্ষা আইনকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ পেতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ২৭টি রাজ্যে নারীদের ক্রীড়া অধিকার রক্ষার আইন কার্যকর রয়েছে, যা এই বিলের কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।
গেইনসের মতে, এই বিলের আরেকটি বড় সমস্যা হলো এটি কার্যকর করার দায়িত্ব এনসিএএ-র ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যেসব সংস্থা অতীতে নারীদের ক্রীড়া অধিকারের প্রশ্নে অস্পষ্ট ছিল, তাদের ওপর কীভাবে ভরসা রাখা যায়? তিনি আরও বলেন, বিলের সমর্থকরা একে সংকীর্ণভাবে ব্যাখ্যার দাবি করলেও, এতে সুনির্দিষ্ট সংশোধনী না আনা পর্যন্ত নারীদের ঝুঁকির বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
রাইলি গেইনস নিজে একজন ১২ বারের এনসিএএ অল-আমেরিকান সাঁতারু। নিজের ক্যারিয়ারের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীদের ক্রীড়াঙ্গন কোনো দরকষাকষির বিষয় নয়। তিনি নীতি-নির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন এমন কোনো বিল পাস না করা হয় যা তরুণী অ্যাথলেটদের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।