যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী মহলে ডিজিটাল সম্পদ বিষয়ক ‘ক্ল্যারিটি অ্যাক্ট’ পাস করার বিষয়টি এখন জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আইনপ্রণেতাদের মতে, ডিজিটাল সম্পদের ওপর সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকলে ক্রিপ্টো সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম দেশটির আইনি সীমানার বাইরে চলে যাবে।
বর্তমান পরিস্থিতির ঝুঁকি
যুক্তরাষ্ট্র যদি দ্রুত ডিজিটাল সম্পদ ব্যবহারের শর্তাবলী বা নীতিমালা নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হয়, তবে ক্রিপ্টোকারেন্সি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম দেশটির আইনি এখতিয়ার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আওতার বাইরে চলে যাবে। এতে করে সহজেই কম নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন বিদেশি প্ল্যাটফর্মে এই কার্যক্রম স্থানান্তরিত হতে পারে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডিজিটাল সম্পদের ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ না থাকা দেশীয় অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বৈদেশিক প্ল্যাটফর্মে নজরদারি করার সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা অর্থপাচারের মতো বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করা মার্কিন কর্তৃপক্ষের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।