বাংলাদেশের ঢাকা শহরে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের হেড কোচ টমাস ডুলি তার সহকারী হিসেবে ভিয়েতনামের নগুয়েন হোয়াং ল্যানকে নিয়োগ দেওয়ায় ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। নগুয়েনের কোচিং লাইসেন্স সি গ্রেডের হওয়ায় এই নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা, যা দলের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কোচিং লাইসেন্স ও পেশাদারিত্ব নিয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে টমাস ডুলি বলেন, কেবল উচ্চতর লাইসেন্স থাকলেই কেউ ভালো কোচ হন না। তিনি উল্লেখ করেন, পেশাদার ফুটবলে এমন অনেক কোচ আছেন যারা খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেননি, আবার জার্মানির ইউর্গেন ক্লপের উদাহরণ দিয়ে বলেন, এমন কৌশলগত উপদেষ্টাও আছেন যারা কখনোই পেশাদার ফুটবল খেলেননি।
নগুয়েনের লাইসেন্স সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে ডুলি বলেন, ফিফা বা এএফসির নিয়ম অনুযায়ী তিনি তাকে সহকারী হিসেবে রেখেছেন, দাপ্তরিকভাবে তিনি অন্য কোনো পরিচয়ও ব্যবহার করতে পারেন। ডুলির দাবি, নগুয়েনের ফুটবলের ওপর অসাধারণ জ্ঞান রয়েছে এবং বিগত চার বছর ধরে তিনি তার সঙ্গে কাজ করছেন।
ডুলি আরও জানান, নগুয়েন ভি-লিগ এবং জাতীয় দলের ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তার ফুটবলীয় দর্শনের সঙ্গে তিনি পুরোপুরি পরিচিত। কোচিং কোর্সে নগুয়েনকে সবাই ‘গুগল’ নামে ডাকতো তার অগাধ জ্ঞানের জন্য। তার মতে, নগুয়েন বর্তমান দলে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ এবং ফুটবলের কৌশলগত দিক থেকে তিনি অত্যন্ত যোগ্য একজন ব্যক্তি।