যুক্তরাজ্যের লন্ডন বা আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় বিমানবন্দরের ফ্যাশন নিয়ে যারা চিন্তিত, তাদের জন্য সুপারমডেল কেট মসের স্টাইল হতে পারে অনন্য উদাহরণ। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞ ইমানি-নিয়া ফ্রান্সিস-সোলাকি বলছেন, বিমানবন্দরের যাত্রাপথে কেট মস যেভাবে আভিজাত্য আর স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয় ঘটান, তা অনেকটা রানওয়ের সাজের মতো। দীর্ঘ দুই দশক পার হয়ে গেলেও তার এয়ারপোর্ট লুকগুলো এখনো সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।
কেট মসের ফ্যাশন শৈলীতে সাধারণত রক-অ্যান্ড-রোল ধাঁচের সাথে আরামদায়ক লাক্সারি বা বিলাসিতার মিশ্রণ দেখা যায়। জিন্স, শার্ট, ব্লেজার বা সাধারণ টপসকে তিনি যেভাবে উপস্থাপন করেন, তা যেকোনো যাত্রীর জন্য অনুসরণযোগ্য।
কেট মসের সেরা ৬টি এয়ারপোর্ট লুক:
১. টি-শার্ট, জিন্স ও হিল বুট: এটি অত্যন্ত সাধারণ কিন্তু স্টাইলিশ একটি সাজ। সাথে লেপার্ড প্রিন্টের ব্যাগ বা গলার পুঁতির মালা যোগ করে পোশাকে ভিন্নতা আনা সম্ভব।
২. ফিটেড টি-শার্ট, প্লেড ট্রাউজার ও কাউ-প্রিন্ট হিলস: নব্বইয়ের দশকের এই সাজটি বেশ বৈচিত্র্যময়। প্লেড বা চেকের প্যান্টের সাথে এনিমেল প্রিন্টের জুতা এই লুকে নতুন মাত্রা যোগ করে।
৩. ম্যাক্সি কোট, লুজ জাম্পার ও স্কিনি জিন্স: শীতপ্রধান দেশ বা শীতল পরিবেশে ভ্রমণের জন্য এটি সেরা। কালো স্কিনি জিন্সের সাথে লম্বা কোট পরলে তা যেমন আরামদায়ক হয়, তেমনি দেখতেও বেশ স্মার্ট লাগে।
৪. ব্লেজার, ফিটেড ট্রাউজার ও সুয়েড বুট: ফরমাল এবং ক্যাজুয়াল সাজের দারুণ সমন্বয় এটি। যেকোনো ব্লেজার ও ট্রাউজারের সেট সাধারণ লুকেও আভিজাত্য ফুটিয়ে তোলে।
৫. ব্লেজার, প্লেড শার্ট ও ফ্রিঞ্জ বুট: যারা একটু রাফ বা গ্রাঞ্জি লুক পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি পারফেক্ট। ঢিলেঢালা ফ্লানেল শার্ট এবং ব্লেজারের সাথে বুট পরে অনায়াসেই আধুনিক রকস্টারের মতো লুক পাওয়া যায়।
৬. টার্টলনেক জাম্পার, সাটিন ট্রাউজার ও হ্যান্ডব্যাগ: আভিজাত্য বজায় রাখতে সাটিন প্যান্ট এবং টার্টলনেক জাম্পারের জুড়ি নেই। সাথে একটি ছোট হ্যান্ডব্যাগ যোগ করলে বিমানবন্দরেও পাওয়া যায় প্রিমিয়াম অনুভূতি।