যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরকার বিভাজন ও প্রগতিশীল অংশের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। তিনি বলেন, দলের মূলধারার প্রার্থীরা মনোনীত হওয়ার পর দলের প্রগতিশীল বা চরমপন্থী অংশের সমর্থকরা অনেক সময় তাদের পাশে দাঁড়ান না, যা আসন্ন নির্বাচনে দলের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
হিলারি ক্লিনটন মন্তব্য করেন যে, এটি একতরফা বিষয় হতে পারে না। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, অতীতে তাকে এবং কমলা হ্যারিসকে সমর্থন দেওয়ার ক্ষেত্রেও প্রগতিশীলদের মধ্যে অনীহা ছিল। তার মতে, দলের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হতে হলে সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।
মিশিগানের সিনেট নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, আব্দুল এল-সায়েদ জয়ী হওয়ার পর তাকে যেমন মূলধারার ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন করতে হবে, তেমনি তার সমর্থকদেরও পরাজিত হেলি স্টিভেন্সের অনুসারীদের সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
রিপাবলিকানদের নির্বাচনী কৌশল নিয়ে হিলারি সতর্ক করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ‘কমিউনিস্ট’ বা ‘সোশ্যালিস্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করার প্রচারণা ডেমোক্র্যাটদের জন্য অত্যন্ত কার্যকরভাবে আঘাত হানতে পারে। রিপাবলিকানরা যে এই কৌশলে বিশ্বাসী, তা তাদের প্রচারণাতেই স্পষ্ট।
তবে এই ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাটদের ভেতরে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সমন্বয়ের মাধ্যমে ভোটারদের সমর্থন ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন।