যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডটকম-এর এক প্রতিবেদনে আইজিএ নেফ্রোপ্যাথি বা বার্জার ডিজিজের চিকিৎসা পদ্ধতি ও এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এটি একটি অটোইমিউন রোগ যা কিডনির ফিল্টারিং ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং রক্তে প্রোটিন বা রক্তের উপস্থিতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। রোগীদের দীর্ঘমেয়াদী কিডনি জটিলতা এড়াতে সঠিক চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসা পদ্ধতি
রোগের তীব্রতা অনুযায়ী চিকিৎসকরা ওষুধ এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা এই রোগের চিকিৎসার প্রধান অংশ। এসিই ইনহিবিটরস বা এআরবি জাতীয় ওষুধ রক্তচাপ কমাতে এবং কিডনির কার্যকারিতা দীর্ঘস্থায়ী করতে সহায়তা করে। এছাড়া প্রদাহ কমানোর জন্য নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে স্টেরয়েড বা ইমিউনোসাপ্রেসিভ থেরাপি ব্যবহারের প্রয়োজন হতে পারে।
খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা
রোগের প্রভাবে শরীরে যেন অতিরিক্ত চাপ না পড়ে, সেজন্য সোডিয়াম বা লবণযুক্ত খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে আনার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এবং নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে রোগের গতিপথ পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে কিডনির কার্যকারিতা রক্ষা করা সম্ভব।