ঢাকাThursday , 10 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ব্যাংক খাতের ওপর কর বাড়িয়ে জ্বালানি বিল কমানোর প্রস্তাব শ্রমিক ইউনিয়নের


September 10, 2026 5:45 pm
Link Copied!

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের (টিইউসি) সাধারণ সম্পাদক পল নোয়াক প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের কাছে ব্যাংকগুলোর ওপর বাড়তি কর আরোপ করে সাধারণ মানুষের জ্বালানি বিল কমানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। সাধারণ ও মধ্যবিত্ত আয়ের পরিবারগুলোকে স্বস্তি দিতে ‘সোশ্যাল ট্যারিফ’ বা সামাজিক শুল্কহার চালুর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তিনি।

প্রস্তাবিত এই সোশ্যাল ট্যারিফের মাধ্যমে পারিবারিক আয়ের ভিত্তিতে জ্বালানি বিলে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে। টিইউসির মতে, এই সুবিধা দেশের দুই-তৃতীয়াংশ পরিবারের কাজে আসবে। এর অর্থায়নের জন্য ব্যাংকগুলোর ওপর সারচার্জ বৃদ্ধির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা ২০২৩ সালে কনজারভেটিভ সরকার ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করেছিল। এই সারচার্জ পুনরায় আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নিলে চার বছরে ৯ বিলিয়ন পাউন্ড আয় সম্ভব বলে ধারণা করছে ইউনিয়নটি।

পল নোয়াক জানান, আগামী মাসে পেশ হতে যাওয়া বাজেটে সরকারের জনবান্ধব মনোভাব ফুটে ওঠা জরুরি। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি বিলের বোঝা কমানো এখন সময়ের দাবি। এর আগে প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম অক্টোবরে বিদ্যুৎ বিলের ওপর থেকে সাময়িকভাবে ভ্যাট বাতিলের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা মূলত জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে জনগণের জন্য একটি ‘ব্রিদিং স্পেস’ বা অবকাশ তৈরির চেষ্টা।

তবে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে ব্যাংক ও ঋণদাতাদের সংগঠন ইউকে ফিন্যান্স। তাদের দাবি, ব্যাংকগুলোর ওপর বাড়তি করের বোঝা আরোপ করা হলে তা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। জবাবে পল নোয়াক বলেন, ব্যাংকগুলোর শেয়ারের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে সারচার্জ বাড়ালেও তারা যুক্তরাজ্য ছেড়ে যাবে না।

ব্যাংক খাতের বাইরেও টিইউসি ধনকুবেরদের ওপর কর আরোপের দাবি জানিয়েছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর উইন্ডফল ট্যাক্স এবং মূলধনী মুনাফার ওপর করকে আয়করের সমান করার পক্ষে মত দিয়েছেন নোয়াক। একইসঙ্গে তিনি বর্তমান অভিবাসন নীতি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন, যার মাধ্যমে অভিবাসী কর্মীদের স্থায়ী হওয়ার সময়সীমা দীর্ঘায়িত করার প্রক্রিয়াটি শিথিল করার কথা বলা হয়েছে।

বার্নহাম সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নোয়াক বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে না পারলে তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।