ঢাকাMonday , 10 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ভবিষ্যৎ যুদ্ধে এআই এজেন্টের ব্যবহার ও কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে সামরিক বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ

Truth Post
August 10, 2026 7:00 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা যুদ্ধের ময়দানে ‘এজেন্টিক এআই’ বা স্বয়ংক্রিয় এআই সিস্টেমের গুরুত্ব ও কৌশলগত ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন। অ্যাকসেঞ্চার ফেডারেল সার্ভিসেস-এর চিফ এআই অফিসার গ্যারেট বার্নসেনের মতে, বর্তমান প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়ন এবং যুদ্ধের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এআইকে সরাসরি সম্মুখভাগে নিয়ে আসা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। ওপেন সোর্স মডেলের সহজলভ্যতা এবং শত্রুপক্ষের দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এই প্রয়োজনীয়তাকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

যুদ্ধক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের গুরুত্ব

বর্তমানে ওপেন সোর্স এআই মডেলের প্রসারের ফলে সাইবার ঝুঁকি বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে শত্রুপক্ষ সাধারণ প্রযুক্তির সহায়তায় শক্তিশালী সাইবার অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম হচ্ছে। গ্যারেট বার্নসেন উল্লেখ করেন, ইউক্রেন যুদ্ধের মতো সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোতে দেখা যাচ্ছে যে, কম খরচের স্বয়ংক্রিয় মারণাস্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে। মানুষের পক্ষে ঝাঁকবদ্ধ বা স্বয়ংক্রিয় হামলার গতির সাথে তাল মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তাই মিশনের গতি বজায় রাখতে স্বয়ংক্রিয় কাজের ভার মেশিনের ওপর ন্যস্ত করা ছাড়া বিকল্প নেই।

নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও স্বচ্ছতা

স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মানে এই নয় যে মানুষ সব নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলবে। সামরিক নীতিমালা অনুযায়ী, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মিশনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষমতা একজন কমান্ডারের হাতেই থাকবে। তবে লজিস্টিক বা রুট পরিকল্পনার মতো কম ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে এআই-কে উচ্চমাত্রার স্বায়ত্তশাসন দেওয়া যেতে পারে। মূলত মানুষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভুল করতে এআই কাজ করবে, যাতে যুদ্ধের বাস্তব পরিস্থিতি বিশ্লেষণে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।

২০৩৫ সালের যুদ্ধের প্রস্তুতি

ভবিষ্যৎ যুদ্ধের চিত্র সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা তিনটি পরিবর্তনের কথা বলেছেন। প্রথমত, প্রশাসনিক ও লজিস্টিক কাজে ব্যাপক স্বয়ংক্রিয়করণ আসবে। দ্বিতীয়ত, সফটওয়্যার তৈরির খরচ কমে আসবে, ফলে নির্দিষ্ট মিশনের প্রয়োজনে দ্রুত সফটওয়্যার তৈরি ও ব্যবহার করা সহজ হবে। তৃতীয়ত, সম্মুখ সারির প্রতিটি প্লাটুনে প্রযুক্তিগত দক্ষ কর্মী মোতায়েন করা হবে, যারা তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধের ময়দানে ডিজিটাল সক্ষমতা তৈরি করতে পারবে। এআই প্রযুক্তিকে কেবল পাইলট প্রজেক্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে যুদ্ধক্ষেত্রে সরাসরি কাজে লাগানোই এখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর মূল লক্ষ্য।