ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ন্যানোপ্রযুক্তিতে ভর করে ব্যাটারি শিল্পে ঘুরে দাঁড়াতে চায় ইউরোপ


September 12, 2026 12:45 am
Link Copied!

নেদারল্যান্ডসের লেইডেন এবং ডেলফ্‌ট শহরে ন্যানোপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ইউরোপের ব্যাটারি শিল্পকে নতুন করে চাঙা করার চেষ্টা চলছে। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান লেইডেনজার-এর প্রধান নির্বাহী ক্রিশ্চিয়ান রুড জানিয়েছেন, ক্ষুদ্র পরিসরের এই উদ্ভাবন ব্যাটারি শিল্পে বড় পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করতে পারে। সুইডেনের নর্থভোল্ট এবং নরওয়ের মরোর মতো বড় প্রতিষ্ঠানের দেউলিয়াত্বের পর ইউরোপের ব্যাটারি খাতে যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতেই এই নতুন কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

বর্তমানে পরিবহন ও শিল্প খাতে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ায় ব্যাটারির চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী। কিন্তু চীনের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে ইউরোপের জন্য এই বাজারে টিকে থাকা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। লেইডেনজার কোম্পানিটি প্লাজমা ডিপোজিশন কৌশলের মাধ্যমে পাতলা সিলিকন ফয়েল তৈরি করছে, যা ব্যাটারির চার্জিং গতি ও স্থায়িত্ব ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে সক্ষম। ক্রিশ্চিয়ান রুড বলেন, সিলিকন অ্যানোডের মূল সমস্যা সমাধান করাই তাদের এই উদ্ভাবনের লক্ষ্য।

এই প্রযুক্তির প্রসারে নেদারল্যান্ডসের আইন্দহোভেন শহরের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের পরিবেশ বড় ভূমিকা রাখছে। কোম্পানিটি মূলত চিপ তৈরির প্রযুক্তিকে ব্যাটারি শিল্পে প্রয়োগ করছে। একই ধারায় ডেলফ্‌ট শহরের স্টার্টআপ পাওয়াল ব্যাটারি তৈরির কাঁচামাল বা পাউডারের ওপর ন্যানোকোটিং করার সরঞ্জাম তৈরি করছে। পাওয়ালের প্রধান নির্বাহী রডেরিক কোলেনের মতে, ন্যানোকোটিং ব্যবহারের ফলে ব্যাটারির ক্ষয় রোধ করা সম্ভব, যা ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়াতে কার্যকর।

তবে এই খাতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন বার্লিনভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক মেরিকস-এর বিশ্লেষক আলেকজান্ডার ব্রাউন। তিনি বলেন, ইউরোপের উচ্চমানের প্রযুক্তি পণ্যের বিশ্ববাজারে চাহিদা থাকলেও চীন নিজস্ব প্রযুক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে কাজ করছে। এছাড়া ইউরোপে বড় ধরনের ঝুঁকি নেওয়ার মতো বিনিয়োগের অভাবও একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে। তবুও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ব্যাটারি শিল্পে বিশাল কারখানা তৈরির পরিবর্তে সূক্ষ্ম প্রযুক্তির উদ্ভাবনই ইউরোপকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নতুন করে জায়গা করে দিতে পারে।