ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

এআই ধ্বংসের শঙ্কা আসলে মানুষকে বিভ্রান্ত করার কৌশল: তিমনিথ গেব্রু


September 12, 2026 5:45 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি খাতের অন্যতম পরিচিত মুখ এবং এআই গবেষক তিমনিথ গেব্রু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বর্তমান সময়ের অতি-ভয়ংকর আলোচনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তার মতে, এআই কোম্পানিগুলো মানবজাতি ধ্বংস বা অস্তিত্ব সংকটের মতো যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে, তা মূলত প্রযুক্তিটির কারণে সৃষ্ট বাস্তব ও তাৎক্ষণিক ঝুঁকিগুলো থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি কৌশল।

বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। বিশেষ করে ওপেন এআই এবং অ্যানথ্রপিকের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এর মধ্যেই গেব্রু এমন মন্তব্য করলেন। তিনি মনে করেন, তথাকথিত ‘এআই অ্যালাইনমেন্ট’ বা নিরাপত্তার নামে কোম্পানিগুলো এমন সব বিষয় নিয়ে মাতামাতি করছে যা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

গবেষক তিমনিথ গেব্রু ব্যাখ্যা করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় মারণাস্ত্র তৈরি, জলবায়ু সংকটের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলার মতো বিষয়গুলো এখনকার বড় বাস্তবতা। কিন্তু এসব নিয়ে আলোচনা না করে কোম্পানিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া বা মানুষ ধ্বংসের মতো কাল্পনিক ভয় দেখিয়ে প্রচার চালাচ্ছে। তিনি একে ‘মেশিন-গড’ বা যান্ত্রিক দেবতার বয়ান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

গেব্রুর মতে, যখন কোনো সেতু ভেঙে পড়ে, তখন আমরা যেমন এটা নিয়ে বিতর্ক করি না যে সেতুটি কেন ধ্বংস হতে চাইল, বরং এর প্রকৌশলগত ত্রুটি বা নির্মাণশৈলী নিয়ে প্রশ্ন তুলি। ঠিক তেমনি এআই-এর ক্ষেত্রেও কাল্পনিক বিপদের চেয়ে কারা, কেন এবং কী উদ্দেশ্যে এটি তৈরি করছে, সেই প্রশ্ন তোলা বেশি জরুরি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে কোম্পানিগুলো তাদের আইপিও (IPO) বা শেয়ার বাজারে প্রবেশের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে এক ধরনের অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার কারণেই তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবি করছে, যা নীতিনির্ধারকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আলোচনার চেয়ে গণমাধ্যম ও চাপের মুখে তড়িঘড়ি করে আইন তৈরির চেষ্টা চলছে, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হতে পারে।