ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ব্যবহারকারীর ছবি দিয়ে এআই প্রশিক্ষণের অভিযোগে মেটার বিরুদ্ধে মামলা


September 12, 2026 2:15 pm
Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর ফেডারেল আদালতে মেটার বিরুদ্ধে একটি ক্লাস অ্যাকশন মামলা দায়ের করেছেন দেশটির ইলিনয় ও ক্যালিফোর্নিয়ার কয়েকজন অভিভাবক ও তাদের সন্তান। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের ছবি অবৈধভাবে সংগ্রহ করে নিজেদের এআই ইমেজ জেনারেশন মডেল প্রশিক্ষণ এবং ‘নেমট্যাগ’ (NameTag) নামক ফেস রিকগনিশন ফিচার তৈরির অভিযোগে এই মামলাটি করা হয়েছে। বাদীপক্ষের দাবি, ব্যবহারকারীর অনুমতি বা কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়াই তাদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করে মেটা গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন করেছে।

মামলার প্রেক্ষাপট
অভিযোগ অনুযায়ী, মেটার স্মার্ট গ্লাসের জন্য তৈরি করা ‘নেমট্যাগ’ সিস্টেমটি ব্যবহারকারীদের ছবি থেকে বায়োমেট্রিক স্বাক্ষর তৈরি করে ডাটাবেজে সংরক্ষণ করার সক্ষমতা রাখে। যদিও মেটা কর্তৃপক্ষ বরাবরই দাবি করে আসছে যে, তারা কোনো কেন্দ্রীয় ফেস ডাটাবেজ তৈরি করছে না এবং নেমট্যাগ এখনো কোনো পণ্য হিসেবে বাজারে আসেনি। তবে এর আগে ওয়্যার্ডের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল যে, মেটা গ্লাস এআই কম্পানিয়ন অ্যাপের ভেতরে গোপন কোড হিসেবে এটি যুক্ত ছিল, যা কোটি কোটিবার ডাউনলোড হয়েছে।

এআই মডেল ও বায়োমেট্রিক তথ্য
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, মেটার ‘ইমু’ (Emu) এবং ‘মিউজ ইমেজ’ (Muse Image) নামক জেনারেটিভ এআই মডেলগুলো প্রশিক্ষণের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের বিশাল পরিমাণ ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। বাদীদের আইনজীবি জাস্টিন বলি জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি আপলোড করার মানে এই নয় যে ব্যবহারকারীর বায়োমেট্রিক তথ্য অপব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।

মেটার প্রতিক্রিয়া
মেটার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, মামলাটি ভিত্তিহীন এবং এটি তাদের কাজের অপব্যাখ্যা। তারা এআই পণ্য উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর তথ্যের ব্যবহার নিয়ে সবসময় স্বচ্ছ থেকেছে বলে দাবি করেন। কোম্পানিটি বলছে, নেমট্যাগ এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় এবং এটি চালু করা হলে পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে করা হবে। এর আগে ২০২০ সালে ইলিনয়ে ফেস রিকগনিশন সংক্রান্ত মামলায় মেটা ৬৫০ মিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪ সালে টেক্সাসে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের অভিযোগে ১.৪ বিলিয়ন ডলার জরিমানা দিতে সম্মত হয়েছিল।