যুক্তরাজ্যের লন্ডনে প্রতিরক্ষা খাতে অর্থায়নের জন্য কানাডার নেতৃত্বাধীন একটি বৈশ্বিক বিনিয়োগ ব্যাংকে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে দেশটির সরকার। চ্যান্সেলর জন হিলি ‘ডিফেন্স, সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ব্যাংক’ (ডিএসআরবি)-এ যোগ দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এর আগে তার পূর্বসূরি র্যাচেল রিভস এই প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
কানাডার উদ্যোগে গঠিত এই ব্যাংকটি মূলত বিভিন্ন দেশের সরকারকে কম সুদে ঋণ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে, যাতে তারা তাদের সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি করতে পারে। তবে ব্রিটিশ ট্রেজারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রতিরক্ষা শিল্প সক্ষমতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই ব্যাংকটির সদস্য হওয়ার জন্য যুক্তরাজ্যসহ জি-৭ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোকে তিন বছর মেয়াদে প্রায় ৮৭০ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করতে হবে। বর্তমানে আলবেনিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, গ্রিস, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, রোমানিয়া, তুরস্ক ও ইউক্রেন এই ব্যাংকের সদস্য হিসেবে রয়েছে।
প্রতিরক্ষা খাতের ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটানো জন হিলির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অক্টোবরে বাজেট এবং আগামী বছরের ব্যয় পর্যালোচনার আগে তিনি এই তহবিল সংগ্রহের পথ খুঁজছেন। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির ৩ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ৩.৫ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।
যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মাল্টিল্যাটারাল ডিফেন্স মেকানিজম এবং ডিএসআরবি কীভাবে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে পারে, তা নিয়ে কানাডীয় মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আলোচনা চলছে।