যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দেশটির জাতীয় ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত এক দশকে দ্বিগুণ হওয়ার এক নতুন মাইলফলক। ট্রেজারি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেন প্রশাসনের দীর্ঘমেয়াদী ব্যাপক ব্যয় এবং ক্রমবর্ধমান সুদ পরিশোধের চাপে এই বিশাল ঋণের বোঝা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতি বিশ্লেষক নাটালি জিমেনেজ জানিয়েছেন, এই বিপুল পরিমাণ ঋণ কীভাবে আমেরিকার সাধারণ গ্রাহক এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে, তা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
ঋণের চিত্র
২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণের পরিমাণ ছিল ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের সামান্য কম। মাত্র দশ বছরের ব্যবধানে তা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বৃদ্ধি পাওয়া এবং ঋণের বিপরীতে উচ্চ হারে সুদ পরিশোধ করতে গিয়েই মূলত এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্ব অর্থনীতির ওপর প্রভাব
যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশাল ঋণ শুধু তাদের অভ্যন্তরীণ বাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন ডলারের প্রভাব থাকায়, এই ঋণের বোঝা পরোক্ষভাবে সারা বিশ্বের ভোক্তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। মার্কিন অর্থনীতিতে বড় ধরনের কোনো সংকট তৈরি হলে তার নেতিবাচক প্রভাব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।