ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে লোহিত সাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা শুরু করেছে। এই উত্তেজনা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
- হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একটি তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে, যা ওই অঞ্চলে চলমান উত্তজনাকে তুঙ্গে তুলেছে।
- এর আগে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ‘সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা’ বা মেরিটাইম এমবারগোর ঘোষণা দিয়েছিল হুথি গোষ্ঠী।
- হুথিরা দাবি করেছে যে, ট্যাঙ্কার ছাড়াও তারা আরও একটি জাহাজে সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
- সৌদি ট্যাঙ্কারে হামলার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সংশ্লিষ্ট সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সম্প্রতি লোহিত সাগরে সৌদি আরবের একটি বাণিজ্যিক তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটি দাবি করেছে, তাদের এই পদক্ষেপ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ঘোষিত মেরিটাইম এমবারগোর অংশ। লোহিত সাগরের কৌশলগত জলসীমায় এই ধরনের হামলার ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
হুথিদের এই আস্ফালন শুধু একটি ট্যাঙ্কারে সীমাবদ্ধ থাকেনি; তারা দাবি করেছে যে, একই সময়ে তারা আরও একটি জাহাজে আঘাত হেনেছে। ইরান-সমর্থিত এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি দীর্ঘকাল ধরেই ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি জোটের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে এবং বর্তমানে তারা লোহিত সাগরের সমুদ্রপথকে তাদের ভূ-রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছে।
এদিকে, মিত্রদেশের জাহাজে হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বাডেন প্রশাসন সরাসরি এই উত্তেজনার নেপথ্যে ইরানকে দায়ী করে তেহরান-সমর্থিত বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক বিমান হামলা শুরু করেছে। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, লোহিত সাগরে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখা এবং তাদের মিত্রদের রক্ষা করা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব।
সূত্র: bbc.co.uk