ঢাকাSunday , 13 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

টানা ১৩ রাত ইরানে মার্কিন হামলা, কঠোর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের

International Desk
July 24, 2026 5:40 pm
Link Copied!

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে টানা ১৩তম রাতের মতো সামরিক হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অজুহাতে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। এই ধারাবাহিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তেহরান কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

হামলার বিবরণ ও ক্ষয়ক্ষতি
সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, সর্বশেষ দফার হামলায় ইরানের ড্রোন সংরক্ষণাগার, সামরিক কমান্ড সেন্টার, যোগাযোগ ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র এবং নৌ সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই হামলার জেরে তেহরানের পূর্বাঞ্চল, খোন্দাব, খোররামাবাদ, কোনারাক এবং কৌশলগত বন্দরনগরী জাস্কে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

বন্দর আব্বাসের ‘তাপ্পে আল্লাহ-ও-আকবর’ নামক আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে অন্তত দুজন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন হরমুজগান প্রদেশের উপ-গভর্নর ওয়ালিউল্লাহ হায়াতি। এছাড়া খুজেস্তানের আন্দিমেশক ও ওমিদিয়ে শহরেও মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। কেশম দ্বীপের আকাশে একটি ড্রোন ভূপাতিত করার খবর পাওয়া গেছে।

ইরানের অবস্থান
মার্কিন হামলার মুখে ইরান নতি স্বীকার করবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির নীতিনির্ধারকরা। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন বন্ধ না হলে তেহরান পাল্টা আঘাত চালিয়ে যাবে। সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা ও তাদের সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে ভবিষ্যতে আরও বিধ্বংসী প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। মার্কিন সেন্টকম জানিয়েছে, তাদের সহায়তায় হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে এবং তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তবে পাল্টাপাল্টি এই হামলার ঘটনায় পুরো অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে।