ঢাকাThursday , 17 September 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

বাজেট সামনে রেখে চাপে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ও চ্যান্সেলর জন হিলি


September 17, 2026 1:45 am
Link Copied!

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে আসন্ন বাজেটকে কেন্দ্র করে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম ও চ্যান্সেলর জন হিলি। ব্রিটেনের রাজনীতিতে গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বার্নহাম, কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সরকার ও লেবার পার্টির ভেতরেই বাড়ছে উদ্বেগ। বাজেট পেশ হতে আর মাত্র ৪২ দিন বাকি, যা সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়।

বর্তমান কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পেছনে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাত এবং এআই খাতের প্রসারের ফলে ঋণের ব্যয় বৃদ্ধিকে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ব্রিটেনের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়েও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ অ্যান্ডি হ্যালডিন মন্তব্য করেছেন, যদি সরকার সরকারি ব্যয় সংকোচনের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত না দেয়, তবে বাজার একে ঐতিহ্যবাহী সোশ্যালিস্ট সরকার হিসেবেই দেখবে। হ্যালডিনের এই মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর জন্য অস্বস্তিকর, কারণ তিনি বার্নহামের পরামর্শদাতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী এই সমালোচনার জবাবে জানিয়েছেন, সরকার অর্থনীতির সঠিক পথ বজায় রাখতে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না। উদাহরণ হিসেবে তিনি ডিজিটাল আইডি প্রকল্প স্থগিত করার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে সমালোচকদের মতে, ডিজিটাল আইডির টাকা অন্য খাতে ব্যয় করা হয়েছে, যা প্রকৃত ব্যয় সংকোচন নয়, বরং ব্যয় পুনঃনির্ধারণ মাত্র।

চ্যান্সেলর জন হিলি গত সপ্তাহে এক বক্তব্যে বাজারের আস্থা ফেরাতে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সরকারের ভেতরের একাধিক সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম ও চ্যান্সেলর হিলির অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে মিল রয়েছে কি না, তা নিয়ে দলের ভেতরেই প্রশ্ন উঠছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাজারকে আশ্বস্ত করতে গিয়ে লেবার সরকার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কি না যা তাদের রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এর আগে উইন্টার ফুয়েল অ্যালাউন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছিল। এখন আসন্ন বাজেটই নির্ধারণ করবে লেবার সরকার তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং বাজারের চাহিদার মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য বজায় রাখবে।