ঢাকাWednesday , 29 July 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

উপজেলা হাসপাতালে ৮৮০ মেশিন অকেজো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Link Copied!

দেশের উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালগুলোতে শত শত এক্স-রে ও আলট্রাসাউন্ড মেশিন দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এ তথ্য উপস্থাপন করা হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, উপজেলা পর্যায়ের ৩১০টি হাসপাতালে প্রায় ৪৮৫টি এক্স-রে মেশিন অকেজো হয়ে আছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মেশিন মেরামতের অযোগ্য এবং বাকি ৬০ শতাংশ মেরামতের জন্য দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও জানান, দেশের ২৫২টি হাসপাতালে প্রায় ৩৯৫টি আলট্রাসাউন্ড মেশিন অকেজো অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ মেশিন মেরামত করা সম্ভব নয়, তবে অবশিষ্ট ৬৫ শতাংশ মেশিন মেরামতের জন্য দরপত্র কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এমআরআই, সিটি স্ক্যান, ডায়ালাইসিস ও আইসিইউসহ ভারী চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ক্রয়ের কার্যক্রম দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। বর্তমান সরকার এ প্রক্রিয়া পুনরায় চালু করেছে এবং বর্তমানে চারটি এমআরআই মেশিন ক্রয়ের কার্যক্রম চলছে।

গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে অনুমোদিত চিকিৎসকের পদ ৪১ হাজার ৮০৬টি। এর মধ্যে বর্তমানে ৯ হাজার ৪০৭টি পদ শূন্য রয়েছে। ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হয়েছে। তিনি জানান, অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণী খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে এ পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। এতে পরিবেশের ঝুঁকি বাড়ছে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। জীবাণু শনাক্তকরণ ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়ের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।