বাংলাদেশের ঢাকার শেরে বাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকারকে মারধর করা হয়েছে। মাহিন সরকার নিজেই বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এই অভিযোগ করেন।
মাহিন সরকার দাবি করেন, অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি ডকুমেন্টারির অসংগতি নিয়ে প্রতিবাদ করায় তার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি তার পোস্টে বলেন, রাষ্ট্রপতির সামনে আমাকে হামলা করা হয়েছে এবং আমি এটি নিয়ে গর্বিত।
ফেসবুক পোস্টে মাহিন সরকার আরও উল্লেখ করেন, ডকুমেন্টারিতে এক দফার ঘোষক হিসেবে তারেক রহমানের নাম আসায় তিনি ক্ষুব্ধ। তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল নেতৃত্বে ছিলেন নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ, যাদের অবদান ডকুমেন্টারিতে যথাযথভাবে ফুটে ওঠেনি। তিনি লিখেন, জুলাইয়ের পর বেঁচে থাকাটাই এখন অপরাধ বলে মনে হচ্ছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
বুধবার এই অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত তথ্যচিত্রটি নিয়ে দর্শকসারিতে থাকা ছাত্র-জনতা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এতে অভ্যুত্থানের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ তোলেন উপস্থিত অনেকে।
কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া
পরিস্থিতি সামাল দিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান তাৎক্ষণিক বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ডকুমেন্টারিতে থাকা অসংগতিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে এবং দ্রুত সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।