ঢাকাSunday , 9 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন ও বিচার
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি
  8. জাতীয়
  9. ধর্মীয় সম্প্রীতি
  10. পরিবেশ ও কৃষি
  11. প্রযুক্তি
  12. বিনোদন
  13. বিশেষ প্রতিবেদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সব খবর

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আলোচনায় যাদের নাম


August 7, 2026 9:00 pm
Link Copied!

বাংলাদেশের ঢাকা শহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বর্তমানে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের গুরুত্ব হলো সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

প্রার্থী যাচাই-বাছাই

প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘ কর্মজীবন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। গ্রহণযোগ্যতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম

বিএনপির বিভিন্ন সূত্রের দাবি অনুযায়ী, আলোচনায় রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

এ ছাড়াও অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, মানবাধিকারকর্মী আইরিন খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নামও সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়

আলোচনায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান এগিয়ে আছেন বলে দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। অরাজনৈতিক ব্যক্তির পরিবর্তে দলের অভিজ্ঞ নেতাদের মধ্য থেকেই রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা ও ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।